বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

শান্তি প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার না করলে আফগানিস্তানে নতুন হামলার হুঁশিয়ারি: পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর

শান্তি প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার না করলে আফগানিস্তানে নতুন হামলার হুঁশিয়ারি: পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর

শান্তি প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার না করলে আফগানিস্তানে নতুন হামলার হুঁশিয়ারি: পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর

পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা মোহাম্মদ আসিফ বলেছেন, আফগানিস্তান সরকার যদি শান্তির বিশ্বাসযোগ্য আশ্বাস দিতে ব্যর্থ হয় তবে পাকিস্তান আবারও হামলা চালানোর জন্য প্রস্তুত আছে।

 

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দ্য নিউজের বরাত দিয়ে জিও নিউজের প্রতিবেদনে এ খবর জানানো হয়।

 

বুধবার ফ্রান্স ২৪-কে খাজা আসিফ বলেন, ‘কাবুলের কর্তৃপক্ষ শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি না দিলে পাকিস্তান আফগানিস্তানে নতুন করে হামলা চালাতে একফোঁটা দ্বিধা করবে না।’
 
প্রতিবেদন বলছে, গত বছর অক্টোবরে আফগান তালেবান ও সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্যরা পাকিস্তানের সীমান্ত চৌকিতে বিনা উস্কানিতে হামলা চালানোর পর ইসলামাবাদ এবং কাবুল সীমান্তে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
 
এই সংঘর্ষের ফলে ২০০ জনেরও বেশি তালেবান এবং তার সহযোগী নিহত এবং ২৩ জন পাকিস্তানি সৈন্য নিহত হন।

সংঘাতকে কেন্দ্র করে কয়েক দফা আলোচনা সত্ত্বেও, আফগান তালেবান শাসনের বিরুদ্ধে ‘সন্ত্রাসী’ সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে অনীহার অভিযোগ এনেছে পাকিস্তান। এছাড়া উভয় দেশই যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হওয়ায় একে অপরের বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি দোষ চাপিয়েছে।


 

এদিকে, আসিফ ইসরাইলের সাথে পাকিস্তানের কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়ে বলেন, ফিলিস্তিনিরা যদি নিজেদের জন্য একটি স্বাধীন আবাসভূমি নিশ্চিত করে, তাহলে ভবিষ্যতে এই ধরনের পদক্ষেপের কথা বিবেচনা করা যেতে পারে।