শুক্রবার, অক্টোবর ৩০, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

১০০ কোটি রুপির সম্পদ রেখে গেছেন আশা

১০০ কোটি রুপির সম্পদ রেখে গেছেন আশা

১০০ কোটি রুপির সম্পদ রেখে গেছেন আশা


ভারতীয় সংগীতজগতের কিংবদন্তি গায়িকা আশা ভোঁসলের প্রয়াণের পর এবার সামনে আসছে তার জীবনের নানা বিষয়। অজানা সেইসব তথ্য অনেককে দিচ্ছে কষ্ট। অনেক তথ্য আবার তার প্রতি বাড়িয়ে দিচ্ছে সম্মান ও গর্ব। তেমনি আরেকটি আলোচিত দিক তার আর্থিক সাম্রাজ্য।

সংগীতের পাশাপাশি ব্যবসা ও সম্পত্তির দিক থেকেও তিনি ছিলেন অত্যন্ত সফল একজন ব্যক্তিত্ব।

রোববার (১২ এপ্রিল) সকালে মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ৯২ বছর বয়সী এই কিংবদন্তি শিল্পী। তার মৃত্যুতে যেমন সংগীতজগতে শূন্যতা তৈরি হয়েছে, তেমনি ভক্তদের আগ্রহ এখন তার রেখে যাওয়া সম্পদের দিকে।

বিভিন্ন সূত্র অনুযায়ী, ২০২৬ সালে আশা ভোঁসলের মোট সম্পত্তির পরিমাণ আনুমানিক ১০০ কোটি রুপি। এই বিপুল সম্পদের মাধ্যমে তিনি ভারতের অন্যতম ধনী গায়িকাদের তালিকায় স্থান করে নিয়েছিলেন।

তার আয়ের একটি বড় অংশ এসেছে সংগীতজীবনের পাশাপাশি ব্যবসা থেকে। বিশেষ করে তার রেস্তোরাঁ চেইন দীর্ঘদিন ধরেই আয় বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান উৎস হিসেবে কাজ করেছে। মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের একাধিক দেশে এই রেস্তোরাঁর শাখা রয়েছে, যেখানে ভারতীয় খাবারের প্রিমিয়াম পরিবেশন করা হয়।

এর পাশাপাশি মুম্বাই ও পুনেতে রয়েছে তার একাধিক স্থাবর সম্পত্তি। মুম্বাইয়ের পেডার রোডের ‘প্রভু কুঞ্জ’ অ্যাপার্টমেন্টকে তাঁর অন্যতম মূল্যবান সম্পদ হিসেবে ধরা হয়।

সংগীতজীবনের শুরুতে যেখানে তাকে তুলনামূলক কম পারিশ্রমিকে গান গাইতে হতো, পরে তিনি ধীরে ধীরে নিজের অবস্থান শক্ত করেন। একসময় যিনি নির্দিষ্ট ধরনের গান গাইতেন, তিনিই পরে রোমান্টিক, গজল ও ক্লাসিক্যাল- সব ধরনের গানে সমান দক্ষতা দেখিয়ে বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।

হিন্দি, মারাঠি, বাংলা, গুজরাটি সহ প্রায় ১৮টি ভাষায় ১১৫ হাজারেরও বেশি গান গেয়ে তিনি ভারতীয় সংগীত ইতিহাসে এক অনন্য অধ্যায় তৈরি করে গেছেন।

তার মৃত্যুতে থেমে গেল এক যুগ। কিন্তু তার সাফল্য ও সম্পদের গল্প থেকে যাবে চিরস্মরণীয় হয়ে।