পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালিশুরী এস এ ইনিষ্টিটিউশন পরীক্ষা কেন্দ্রে অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে ৮জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। আজ রবিবার (২৬ এপ্রিল) পরীক্ষা চলাকালীন সময় বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের বিজিলেন্স টিম এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।
জানা গেছে, আজ রবিবার সকালে ইংরেজি ১ম পত্র পরীক্ষা শুরু হওয়ার পরে বরিশাল থেকে আসা শিক্ষা বোর্ডের একটি বিশেষ ভিজিলেন্স টিম আকস্মিক কেন্দ্রে পরিদর্শন করেন। এসময় পরীক্ষার হলে অসদুপায় অবলম্বন করতে গিয়ে ৮জন পরীক্ষার্থী ওই টিমের হাতে ধরা পড়ে। পরে তাদেরকে পরীক্ষার হল থেকে বহিষ্কারের নির্দেশ দেওয়া হয়। দায়িত্বে অবহেলার দায়ে শিক্ষক শিরিন আক্তার এবং শংকর চন্দ্র হালদার নামে ২জন কক্ষ পরিদর্শককে প্রত্যাহার করে নেয়া হয়।
বহিষ্কৃত ৮জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪ জন বাউফল উপজেলার ইন্দ্রকুল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এবং বাকি ৪জন পার্শ্ববর্তী বাকেরগঞ্জ উপজেলার কাকড়দা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বলে নিশ্চিত করেছেন কেন্দ্র সচিব।
বরিশাল শিক্ষা বোর্ড থেকে পাঠানো বরিশাল বিএম কলেজের উদ্ভিদ বিদ্যা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. আসাদুজ্জামান বলেন, পরীক্ষার প্রশ্ন পত্রে ট্রু-ফলস, রি এ্যারেঞ্জ, ম্যাসিং সহ বেশ কিছু উত্তর লেখা ছিল। আমরা ধারণা করছি উত্তর গুলো বাহির থেকে লিখে সরবরাহ করা হয়েছে। এধরনের অপরাধের কারণে ৮জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে এবং ওই সময়ে হলে দায়িত্ব পালন করা ২জন শিক্ষককে বহিষ্কারের সুপারিশ করা হয়েছে।
এবিষয়ে কালিশুরী এস এ ইন্সটিটিউশন এর প্রধান শিক্ষক ও কেন্দ্র সচিব মো. ইউসুফ আলী বলেন, পরীক্ষায় নকল করার অপরাধে ৮জন পরীক্ষার্থী এবং ২জন শিক্ষককে বহিষ্কার করা হয়েছে।
মোঃ রুবেল হোসেন বাউফল প্রতিনিধি।
