শুক্রবার, অক্টোবর ৩০, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

এসআইআর ৩১ আসনে প্রভাব ফেলেছে: আদালতে তৃণমূল

এসআইআর ৩১ আসনে প্রভাব ফেলেছে: আদালতে তৃণমূল

এসআইআর ৩১ আসনে প্রভাব ফেলেছে: আদালতে তৃণমূল

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনী (এসআইআর) নিয়ে বিধানসভা নির্বাচনের আগে থেকেই বিতর্ক ছিল। এবার তা গড়াল ভারতের সর্বোচ্চ আদালতে। সোমবার আদালত বিষয়টি নিয়ে পৃথক আবেদন জমা দিতে তৃণমূল কংগ্রেসকে পরামর্শ দিয়েছেন।

তৃণমূলের অভিযোগ, তালিকা সংশোধনের সময় ৯০ লাখের বেশি ভোটারকে বাদ দেওয়া হয়েছে। আদালত পর্যবেক্ষণে বলেছেন, তৃণমূল যদি প্রমাণ করতে চায় যে, নির্বাচনে এসআইআর উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাব ফেলেছে তাহলে তাদের একটি পৃথক ‘ইন্টারলোকিউটরি অ্যাপ্লিকেশন (আইএ)’ বা অন্তর্বর্তী আবেদন দাখিল করতে হবে।সোমবার ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর সমন্বয়ে গঠিত একটি বেঞ্চ এমন পরামর্শ দেন। আদালত বলেন, আনুষ্ঠানিক আবেদন জমা দেওয়ার পর তারা ভারতের নির্বাচন কমিশনের আপত্তিগুলো খতিয়ে দেখবেন। এরমধ্যে আবেদনের গ্রহণযোগ্যতা বা আইনগত বৈধতার বিষয়গুলোও অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

আদালতে তৃণমূলের প্রবীণ আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ভোটার তালিকা থেকে বিপুল সংখ্যক নাম বাদ দেওয়ার কারণে ৩১টি আসনের ফলাফলে ব্যাপক প্রভাব পড়েছে। এই আসনগুলোতে ২০২১ সালে তৃণমূল জয়ী হলেও এবার তারা বিজেপির কাছে হেরেছে।কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ওই ৩১টি আসনের প্রত্যেকটিতে যত সংখ্যক ভোটারের নাম কাটা হয়েছে, তার সংখ্যা গত নির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থীদের জয়ের ব্যবধানের চেয়েও বেশি। তিনি দাবি করেন, অনেক ক্ষেত্রে বাদ পড়া ভোটারের সংখ্যা এবং জয়ের ব্যবধান প্রায় সমান।

কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় তর্কের খাতিরে একটি আসনের উদাহরণ দেন, যেখানে তৃণমূল প্রার্থী মাত্র ৮৬২ ভোটে হেরেছেন। ওই আসনে ভোটার তালিকা থেকে ৫ হাজারের বেশি নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। তৃণমূলের এই আইনজীবী বলেন, বিজেপি ও তৃণমূলের মধ্যে মোট ভোটের ব্যবধান ছিল প্রায় ৩২ লাখ। অথচ ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়ার বিরুদ্ধেই ৩৫ লাখের বেশি আবেদন এখনো ঝুলে আছে।

এই আবেদনগুলো নিষ্পত্তির বিষয়ে প্রবীণ আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী বলেন, বর্তমানে যে হারে আবেদন নিষ্পত্তি হচ্ছে, তাতে বিপুল সংখ্যক পেন্ডিং পিটিশন (নিষ্পত্তির অপেক্ষায় থাকা আবেদন) শেষ করতে প্রায় চার বছর সময় লাগবে।