শনিবার, অক্টোবর ৩১, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

অভাবের কথা বলতে গিয়ে কাঁদলেন অভিনেত্রী তমা

অভাবের কথা বলতে গিয়ে কাঁদলেন অভিনেত্রী তমা

অভাবের কথা বলতে গিয়ে কাঁদলেন অভিনেত্রী তমা

নিউজ ডেস্ক:

বাইরে থেকে রুপালি জগত বরাবরই ঝলমলে। এ অঙ্গনের তারকাদের জীবনও তেমনই দেখা যায়। কিন্তু বাস্তব জীবনে অন্য অনেকের মতো তারকাদের ব্যক্তিগত জীবনে রয়েছে—কষ্ট, সংগ্রাম ও পরিশ্রমের অধ্যায়। অর্থনৈতিক সংকটের কারণে পরিবার নিয়ে কঠিন সময় পার করেছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেত্রী তমা মির্জা। 

কয়েক দিন আগে একটি টিভি অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত হন তমা মির্জা। এ আলাপচারিতায় তার কাছে জানতে চাওয়া হয়, জীবনে কখনে অর্থনৈতিক সংকটে পড়েছেন কি না? জবাবে তমা মির্জা বলেন, “অসংখ্যবার, অগণিতবার পড়েছি। ওই সংগ্রামের গল্প বলার মতো সময় আপনার অনুষ্ঠানের নেই।”  

খানকিটা সময় নিয়ে সংগ্রামের গল্প বলতে শুরু করেন তমা মির্জা। তিনি বলেন, “প্রথম পাঁচ-ছয় বছর আমার অনেক স্ট্রাগল ছিল। বিশেষ করে আব্বু যখন চাকরি ছেড়ে দিলেন। তুর্যর স্কুলের ফি, আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের ফি, আব্বুর চিকিৎসার খরচ, সংসারের খরচ—এতকিছুর ভারসাম্য বজায় রাখতে পারছিলাম না। এমন অনেক রাত আছে, যে রাতে আমি আমার আম্মুকে জড়িয়ে ধরে কেঁদেছি; আম্মুও আমাকে জড়িয়ে ধরে কেঁদেছে। কিন্তু আমরা তুর্যকে মানে আমার ছোট ভাইকে বুঝতে দেইনি।” 

একটি ঘটনা বর্ণনা করে তমা মির্জা বলেন, “একবার খুবই বাজে সময়ের মধ্যে পড়েছিলাম। এখন আমার শুটকি অনেক পছন্দ; কিন্তু যখন আব্বুর চাকরি ছিল, তখন আম্মু কখনো শুটকি বাসায় আনতেন না। কারণ শুটকি মাছের গন্ধ ছড়ায়। আমি আম্মুকে বলতাম, তুমি রান্না করতে পারো না, তাই আনো না। শুটকি তো অনেক মজার খাবার। আমি কখনো খাইনি, আমার ভাইও কখনো খায়নি। আমাদের তখন এমন ক্রাইসিস যাচ্ছে, তখন শুটকির দাম সবচেয়ে কম ছিল। ওই সময়ে আম্মু শুটকি, ডাল আর ভাত রান্না করতেন। এটা নিয়ে আম্মুর খুব মন খারাপ হয়েছিল। বাবু (তুর্য) মুরগির মাংস ছাড়া ভাত খেতে পারে না, তখন ও শুধু ডাল দিয়ে ভাত খেয়েছিল, এটা দেখে আমার খুব খারাপ লেগেছিল।”