সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ভোমরা ইউনিয়নের লক্ষীদাড়ি গ্রামে তাছলিমা খাতুন (৩৫) নামে দুই সন্তানের জননী এক গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে তার স্বামী সাদ্দাম হোসেনের বিরুদ্ধে। শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত স্বামী পলাতক রয়েছে।
নিহতের বড় মেয়ে সাদিয়া সুলতানা (১২) জানান, তার বাবা দীর্ঘদিন ধরে নেশাগ্রস্ত ছিলেন এবং প্রায়ই তার মায়ের সঙ্গে ঝগড়া ও মারধর করতেন। ঘটনার রাতে তিনি, তার ছোট ভাই নুর হোসেন (৯) এবং দাদি পাশের কক্ষে ঘুমিয়ে ছিলেন। হঠাৎ মায়ের গোঙানির শব্দ শুনে তারা ঘরে গিয়ে তাছলিমা খাতুনকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। পরে স্থানীয়রা দ্রুত তাকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের বাবা নুরুজ্জামান অভিযোগ করেন, বিয়ের পর থেকেই তার মেয়ের ওপর শারীরিক নির্যাতন চালাতো জামাই সাদ্দাম হোসেন। বিশেষ করে নেশার টাকা না পেলেই নির্যাতনের মাত্রা বেড়ে যেত। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও ঘাতকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
এ বিষয়ে মাসুদুর রহমান জানান, পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করেছে এবং ঘাতক স্বামীকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে।
আবু জাফর সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:
