সোমবার, মে ১৮, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

‘লোকে বলতো বুড়ি হয়ে গেছে, অদ্ভুত দেখতে লাগছে’

‘লোকে বলতো বুড়ি হয়ে গেছে, অদ্ভুত দেখতে লাগছে’

‘লোকে বলতো বুড়ি হয়ে গেছে, অদ্ভুত দেখতে লাগছে’

নিউজ ডেস্ক:

শোবিজ তারকাদের ব্যক্তিগত জীবন থেকে শুরু করে শরীরের গঠন বা বয়স সবকিছু নিয়েই নেটপাড়ার একাংশের ট্রলিং যেন নিত্যদিনের সঙ্গী। এবার সেই চেনা ট্রলিং ও বডি শেমিংয়ের বিরুদ্ধে জবাব দিলেন জনপ্রিয় ভারতীয় টেলিভিশন অভিনেত্রী রুবিনা দিলাইক। তাকে দেখতে নাকি ‘বুড়ি বুড়ি’ লাগে, আবার কখনো দাবি করা হয় কৃত্রিম উপায়ে যৌবন ধরে রাখতে প্লাস্টিক সার্জারির করেছেন তিনিনেটদুনিয়ার একাংশের ধারণা, রুবিনা নাকি ‘বোটক্স’ কিংবা ‘ফেসলিফট’-এর মতো কৃত্রিম প্রক্রিয়ার সাহায্যে নিজের সৌন্দর্য ধরে রেখেছেন। এক সাক্ষাৎকারে এই প্রসঙ্গে মুখ খুলে অভিনেত্রী স্বীকার করেছেন, ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে এসব মন্তব্য তাকে ভীষণভাবে প্রভাবিত করত এবং তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়তেন।

বছরের পর বছর ধরে বডি শেমিংয়ের শিকার হওয়া রুবিনা বলেন, ‘আমি প্রচুর কটাক্ষ শুনেছি। লোকে বলতো বুড়ি হয়ে গেছে, অদ্ভুত দেখতে লাগছে, মনে হচ্ছে বোটক্স করিয়েছে। শরীরে ও মুখে নিশ্চয়ই কোনো সার্জারি করিয়েছে, আজব দেখতে লাগছে। একটা সময় এসব শুনে প্রচণ্ড কষ্ট হতো, নিজের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ত।’ ‘তবে এখন আমি ধীরে ধীরে এই নেতিবাচকতাকে এড়িয়ে যেতে শিখেছি। বুঝতে পেরেছি যে, লোকে কী ভাবল তা আমার নিয়ন্ত্রণে নেই। বরং সেই সমস্ত কথায় আমি কী প্রতিক্রিয়া দেব, সেটা সম্পূর্ণ আমার হাতে।’

রুবিনা আরও বলেন, ‘আমি পরে বুঝলাম, আমার অনুভূতির চাবি অন্যদের হাতে দিলে তারা আমাকে আরও কোণঠাসা করে দেবে। তাই এগুলোর মুখোমুখি হওয়ার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো নিজেকে বোঝানো যে, আমার যা আছে তা অন্যদের নেই। আর যা অন্যদের নেই, তা নিয়ে তারা কথা বলবেই।’

তার কথায়, ‘দুর্ভাগ্যজনকভাবে আজকাল মোটা ঠোঁট, শার্প জ-লাইন বা টিকলো নাক নাহলে কাউকে দেখতে খারাপ এই চিন্তাভাবনাটা স্বাভাবিক হয়ে উঠেছে। প্রত্যেক মেয়ে বা নারী চান তাদের একটি নির্দিষ্ট ছাচে দেখতে লাগুক। কিন্তু এতে তো সবাইকে একই রকমের দেখতে লাগে! যদি সবাই একই রকম হয়ে যায়, তবে ঈশ্বরের সৃষ্টির অভিনবত্ব কোথায় থাকবে?’