শনিবার, অক্টোবর ৩১, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ডাবিং রুমে চুরির পর বিএফডিসির নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন

ডাবিং রুমে চুরির পর বিএফডিসির নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন

ডাবিং রুমে চুরির পর বিএফডিসির নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন

নিউজ ডেস্ক:

 


ডাবিং রুম থেকে চিত্রনায়িকা তানহা তাসনিয়ার মুঠোফোন চুরির ঘটনায় বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএফডিসি) নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। সরেজমিন দেখা গেছে, চুরির ঘটনার পরও এফডিসির প্রবেশ ও নিরাপত্তায় কোনো দৃশ্যমান পরিবর্তন আসেনি।


চুরির দুই দিন পর গত রোববার দুপুরে এফডিসির প্রধান ফটকে গিয়ে দেখা যায়, কে ঢুকছে, কে বের হচ্ছে—তা নিয়ে নিরাপত্তাকর্মীদের মধ্যে বাড়তি কোনো সতর্কতাই নেই। দর্শনার্থীদের নাম নিবন্ধনের ব্যবস্থা নেই, পরিচয়পত্র যাচাইয়ের বালাইও নেই। শুটিংয়ের কথা বললেই যাচাই না করেই প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। এফডিসি কেপিআইভুক্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থান, অথচ এখানে প্রবেশে কার্যকর কোনো নীতিমালাই নেই। এ কারণে যে কেউ সহজেই আসা–যাওয়া করছে।

ডাবিংয়ের সময় গত শুক্রবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে তানহা তাসনিয়ার মুঠোফোন চুরি হয়ে যায়। পরে নিকটস্থ থানায় তিনি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, বহিরাগত কেউ ইউনিটের সঙ্গে মিশে ডাবিং রুমে ঢুকে ফোনটি নিয়ে যায়। এ ধরনের ঘটনা এটাই প্রথম নয়। এই এফডিসি থেকেই বছর দুয়েক আগে একটি ওয়েব ফিল্মের শুটিংয়ের সময় তাসনিয়া ফারিণের দামি মোবাইল ফোন চুরি হয়। অরুণা বিশ্বাসের ব্যাগ চুরি হয়, সেই ব্যাগে ছিল আইফোন, স্যামসাং ফোন, জাতীয় পরিচয়পত্র, ব্যাংক কার্ড, বাসার চাবিসহ গুরুত্বপূর্ণ জিনিসপত্র।


ডাবিং রুম থেকে চিত্রনায়িকা তানহা তাসনিয়ার মুঠোফোন চুরির ঘটনায় বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএফডিসি) নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। সরেজমিন দেখা গেছে, চুরির ঘটনার পরও এফডিসির প্রবেশ ও নিরাপত্তায় কোনো দৃশ্যমান পরিবর্তন আসেনি।


চুরির দুই দিন পর গত রোববার দুপুরে এফডিসির প্রধান ফটকে গিয়ে দেখা যায়, কে ঢুকছে, কে বের হচ্ছে—তা নিয়ে নিরাপত্তাকর্মীদের মধ্যে বাড়তি কোনো সতর্কতাই নেই। দর্শনার্থীদের নাম নিবন্ধনের ব্যবস্থা নেই, পরিচয়পত্র যাচাইয়ের বালাইও নেই। শুটিংয়ের কথা বললেই যাচাই না করেই প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। এফডিসি কেপিআইভুক্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থান, অথচ এখানে প্রবেশে কার্যকর কোনো নীতিমালাই নেই। এ কারণে যে কেউ সহজেই আসা–যাওয়া করছে।

ডাবিংয়ের সময় গত শুক্রবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে তানহা তাসনিয়ার মুঠোফোন চুরি হয়ে যায়। পরে নিকটস্থ থানায় তিনি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, বহিরাগত কেউ ইউনিটের সঙ্গে মিশে ডাবিং রুমে ঢুকে ফোনটি নিয়ে যায়। এ ধরনের ঘটনা এটাই প্রথম নয়। এই এফডিসি থেকেই বছর দুয়েক আগে একটি ওয়েব ফিল্মের শুটিংয়ের সময় তাসনিয়া ফারিণের দামি মোবাইল ফোন চুরি হয়। অরুণা বিশ্বাসের ব্যাগ চুরি হয়, সেই ব্যাগে ছিল আইফোন, স্যামসাং ফোন, জাতীয় পরিচয়পত্র, ব্যাংক কার্ড, বাসার চাবিসহ গুরুত্বপূর্ণ জিনিসপত্র।

ওই সময় ক্ষোভ প্রকাশ করে অরুণা বিশ্বাস বলেছিলেন, ‘এফডিসিতে একটা চক্র তৈরি হয়েছে, সুযোগ পেলেই যারা চুরি করে। বহিরাগতদের নিয়ন্ত্রণ না করলে এমন ঘটনা চলতেই থাকবে।’

নিরাপত্তাকর্মীদের বিরুদ্ধে টাকা নিয়ে বহিরাগতদের প্রধান ফটক পার করানোর অভিযোগ বহু পুরোনো। এফডিসিতে ‘গেট-বাণিজ্য’ চালু রয়েছে—অনেকবার কর্তৃপক্ষকে এ অভিযোগ জানিয়েছেন শিল্পী, প্রযোজক, পরিচালকেরা। অভিযোগের পর কিছুদিন কড়াকড়ি থাকে, এরপর আবার সেই আগের অবস্থা। একাধিকবার প্রবেশের পাস–ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগও নেওয়া হয়েছিল।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, অতীতে অভিযোগের প্রমাণ পাওয়ায় নিরাপত্তাকর্মীকে শোকজ করা হয়েছিল। কাউকে কাউকে বদলি করা হয়। এরপর কিছুদিন পরিস্থিতি বদলালেও পরে আগের অবস্থায় ফিরে যায়।