দীর্ঘ প্রায় এক বছর তিন মাস পর হাইকোর্ট থেকে জামিন লাভ করলেও কারামুক্ত হতে পারেননি সাবেক শিক্ষাপ্রতিমন্ত্রী ও রাজবাড়ী-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য কাজী কেরামত আলী। তাকে বৃহস্পতিবার দুপুরে আদালত অপর একটি পৃথক মামলায় শোন এ্যারেষ্ট মঞ্জুর করেন। পরে আদালত থেকে তাকে পুনরায় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। কাজী কেরামত আলী রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি।
কাজী কেরামত আলীর আইনজীবীরা জানান, ২০২৪ সালের ৩০ আগস্ট দায়ের করা জিআর নং-৩৩২/২৪ মামলার ২ নম্বর আসামি হিসেবে ২০২৫ সালের ৭ এপ্রিল রাজধানী ঢাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে ২০২৪ সালের ২ সেপ্টেম্বর দায়ের হওয়া জিআর নং-৩৩৪/২৪ মামলাতেও তাকে আসামি দেখিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।
জিআর ৩৩৪/২৪ মামলায় ২০২৫ সালের ১৭ নভেম্বর এবং জিআর ৩৩২/২৪ মামলায় গত ৪ জুন হাইকোর্ট থেকে জামিন লাভ করেন কাজী কেরামত আলী। এসব মামলায় জামিন পাওয়ার পর গত ৯ জুন তার কারামুক্ত হওয়ার কথা ছিল। তবে ওই দিনই পুলিশ তাকে অপর জিআর ৩৬৫/২৪ একটি মামলায় শোন অ্যারেস্ট দেখানোর আবেদন করে।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাজবাড়ীর ১ নং আমলি আদালতে এ বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানি শেষে পুনরায় কাজী কেরামত আলীকে কারাগারে পাঠানো হয়।
কাজী কেরামত আলীর আইনজীবী এ্যাড আশরাফুল ইসলাম আশা বলেন, সাবেক শিক্ষাপ্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলী একজন বিনয়ী ও সাদামাটা রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। তিনি ছয়বার জাতীয় সংসদ সদস্য ছিলেন। যেসব মামলায় তাকে আসামি করা হয়েছে, তা জামিন যোগ্য। তাছাড়া ওই সব ঘটনার সঙ্গে তার সম্পৃক্ততাও নেই। বর্তমানে ৭৫ বছর বয়সী কাজী কেরামত আলী শারীরিকভাবে অসুস্থ। হাসপাতালে ভর্তি রেখে তার চিকিৎসা সেবা প্রদান অত্যান্ত জরুরী। এজন্য তার জামিন প্রয়োজন।
মোঃ তৌহিদুর রহমান, রাজবাড়ী প্রতিনিধি
