নওগাঁর পোরশা সরকারি কলেজ কেন্দ্রের এইচএসসি পরীক্ষায় প্রক্সি পরীক্ষার্থী হিসেবে পরীক্ষা দিতে এসে হাতেনাতে ধরা পড়েছেন এক যুবক। এ ঘটনায় প্রক্সি পরীক্ষার্থী ও মূল পরীক্ষার্থী—উভয়কেই আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
শনিবার (৪ জুলাই ২০২৬) বাংলা বিষয়ের পরীক্ষা চলাকালে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, মো. জাহিদ হাসান (২১), পিতা- মো. রেজাউল সরদার, গ্রামের বাড়ি বারিন্দা, থানা-পোরশা, জেলার নওগাঁর প্রবেশপত্র ব্যবহার করে তার বন্ধু শ্রী বিপ্লব বর্মন (২১), পিতা- শ্রী সময় বর্মন, সাং- গাঙ্গুরিয়া দেওনাপাড়া, থানা-পোরশা, জেলা-নওগাঁ পরীক্ষায় অংশ নেন।
পরীক্ষা চলাকালে দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক পরীক্ষার্থীকে সন্দেহ হলে তার পরিচয় জানতে চান। তিনি সন্তোষজনক উত্তর দিতে ব্যর্থ হলে কেন্দ্রে দায়িত্বরত এসআই (নিঃ) মো. জিয়াউর রহমানকে বিষয়টি জানানো হয়।
পরে পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে বিপ্লব বর্মন স্বীকার করেন, তিনি তার বন্ধু জাহিদ হাসানের পরিবর্তে প্রক্সি হিসেবে পরীক্ষায় অংশ নিতে এসেছেন। এরপর থানা পুলিশ ও পরীক্ষা কমিটির সদস্যদের সহায়তায় মোবাইল ফোনে খবর দিলে মূল পরীক্ষার্থী জাহিদ হাসান পরীক্ষাকেন্দ্রে উপস্থিত হন এবং ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন।
পরে তাকেও আটক করা হয়।
ঘটনার খবর পেয়ে কেন্দ্রে দায়িত্বরত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোছা. নাবিলা ফেরদৌস ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে পাবলিক পরীক্ষা (অপরাধ) আইন, ২০১৮-এর ৩(ক) ও ১৩ ধারা অনুযায়ী উভয়কে ১৫ (পনেরো) দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামিকে প্রয়োজনীয় পুলিশ প্রহরায় নওগাঁ জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
নাজমুল হক, নওগাঁ প্রতিনিধি:
