সোমবার, সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

কিশোরগঞ্জ জেলায় প্রথম: পাকুন্দিয়া মডেল মাদরাসার নাযিফ বিন ইউসুফের অভাবনীয় সাফল্য

কিশোরগঞ্জ জেলায় প্রথম: পাকুন্দিয়া মডেল মাদরাসার নাযিফ বিন ইউসুফের অভাবনীয় সাফল্য

কিশোরগঞ্জ জেলায় প্রথম: পাকুন্দিয়া মডেল মাদরাসার নাযিফ বিন ইউসুফের অভাবনীয় সাফল্য

​সারা দেশে যখন পরীক্ষার ফলাফলে উত্থান-পতন চলছে, ঠিক তখনই নিজের উজ্জ্বল হাসি আর কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে কিশোরগঞ্জ জেলার জন্য গর্ব বয়ে এনেছেন পাকুন্দিয়া মডেল আলিম মাদরাসার শিক্ষার্থী নাযিফ বিন ইউসুফ। মানবিক বিভাগ থেকে মোট ১৩৫০ নম্বরের মধ্যে রেকর্ড ১২৩৩ নম্বর পেয়ে তিনি পুরো কিশোরগঞ্জ জেলায় প্রথম স্থান অধিকার করেছেন। নাযিফের এই অর্জন যেন তার চেহারার উজ্জ্বল হাসির মতোই ভাস্বর হয়ে উঠেছে।

পাকুন্দিয়া উপজেলা সদরে অবস্থিত পাকুন্দিয়া মডেল মাদরাসাটি জাঁকজমকপূর্ণ বড় বড় দালানকোঠা বা আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন না হলেও, এখানকার শিক্ষার মান এবং সুশৃঙ্খল পরিবেশ সর্বদা প্রশংসিত হয়ে আসছে। এলাকাবাসীর মতে, বর্তমানে এটি উপজেলার অন্যতম সেরা একটি মাদরাসা। এই সাফল্যের পেছনের রহস্য ব্যাখ্যা করতে গিয়ে মাদরাসা সংশ্লিষ্টরা জানান, শিক্ষক ও ছাত্রদের মধ্যে চমৎকার সুসম্পর্ক, উন্নত চিন্তাধারা এবং পরিচালনা পর্ষদের কঠোর তদারকিই প্রধান চালিকাশক্তি। এই ইতিবাচক পরিবেশের ফলেই সারা দেশের ফলাফলের বিপর্যয়ের মাঝেও এবার এই মাদরাসা থেকে ৬ জন শিক্ষার্থী 'জিপিএ ৫' (এ+) অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন।
 

​মাদরাসার এক শুভাকাঙ্ক্ষী এবং শিক্ষার উন্নয়নে নিবেদিতপ্রাণ ব্যক্তি এক প্রতিক্রিয়ায় জানান, “আমি জিপিএ ৫ বা গোল্ডেন এ+ নিয়ে খুব একটা বিচলিত নই। আমি চাই ১০০ ভাগ পাস। অর্থাৎ জিপিএ ২ থেকে ৪-এর মধ্যে হলেও সবাই যেন কৃতকার্য হয়। আমাদের এমন একটি উপজেলা গড়তে হবে যেখানে নকল বলতে কিছু থাকবে না, তেমনি ফেল শব্দটিও মুছে যাবে। তখনই বুঝব শিক্ষকরা সত্যিকারের চেষ্টা করছেন এবং শিক্ষার্থী ও প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত উন্নতি হচ্ছে। আমাদের শুধু টাকার বিনিময়ে এ+ প্রয়োজন নেই, আমাদের এমন এক প্রজন্ম তৈরি করতে হবে যারা যেকোনো পরিবেশে নিজেদের খাপ খাইয়ে নিতে পারবে।”
 

​নাযিফ বিন ইউসুফের এই সাফল্য পাকুন্দিয়া উপজেলার জন্য এক বড় অনুপ্রেরণা। স্থানীয়দের বিশ্বাস, যথাযথ দিকনির্দেশনা ও প্রচেষ্টার মাধ্যমে এই অঞ্চলের অন্যান্য শিক্ষার্থীরাও আগামীর সম্ভবনাময় বাংলাদেশ গড়ার দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেবে। 

 মো : রেজুয়ানুল হক পাকুন্দিয়া