শুক্রবার, অক্টোবর ৩০, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

কক্সবাজার সাগরপাড়ে ৫০০ কোটি টাকার সরকারি জমি উদ্ধার।

কক্সবাজার সাগরপাড়ে ৫০০ কোটি টাকার সরকারি জমি উদ্ধার।

কক্সবাজার সাগরপাড়ে ৫০০ কোটি টাকার সরকারি জমি উদ্ধার।


মীর কাশেম আজাদ, কক্সবাজার

কক্সবাজার শহরের প্রধান পর্যটন জোন সুগন্ধা পয়েন্টে শীর্ষ রাজনৈতিক নেতার নাম ভাঙিয়ে মধ্যরাতে দখল হওয়া আনুমানিক ৫০০ কোটি টাকা মূল্যের সরকারি খাসজমি উদ্ধার করেছে জেলা প্রশাসন।

রোববার (১৬ আগস্ট) বিকেল ৫টায় জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এর নেতৃত্বে পুলিশ, আনসার ও পৌরসভার কর্মকর্তাদের সহায়তায় উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে প্রায় ৫ একর জমি পুরোপুরি দখলমুক্ত করা হয়। 
অভিযানে সরকারি জমিতে অবৈধ টিন ও বাঁশের ঘেরাও গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। অভিযানের নেতৃত্বে থাকা পর্যটন সেলের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহামুদুর রহমান সায়েম জানান, সরকারি খাসজমি দখলের খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে এবং উদ্ধারকৃত জমিতে জেলা প্রশাসনের সাইনবোর্ড টাঙিয়ে দেওয়া হয়েছে। ভাঙচুর করা টিন ও বাঁশের মালামাল পৌরসভার দুটি ডাম্পার ট্রাকে করে জব্দ করে নিয়ে যাওয়া হয়। দখলদার চক্রের যাবতীয় তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে এবং ভবিষ্যতে পুনর্দখলের অপচেষ্টা করা হলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, ২০০৩ সালে সমুদ্র সৈকত সংলগ্ন প্রায় ১৩০ একর সরকারি জমিতে হোটেল মোটেল জোন গড়ে তোলা হয়। ওই জমিতে ৮৭টি প্লট তৈরি করে বিভিন্ন ব্যক্তির নামে ৯৯ বছরের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। বরাদ্দের শর্ত অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ে নির্মাণকাজ শেষ না করায় ২০১০ সালের ১২ জানুয়ারি সংসদীয় কমিটি এবং ভূমি ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের বিভাগীয় কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে জেলা প্রশাসক ৫৯টি প্লটের ইজারা বাতিল করেন। 
এ আদেশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ইজারাদাররা হাইকোর্টে রিট করেন। দীর্ঘ শুনানির পর আদালত ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তা খারিজ করে দেন। এর পরপরই জেলা প্রশাসন ইজারা বাতিল হওয়া প্লটগুলো দখলে নেন। গত শুক্রবার ও শনিবার রাতে দুই দফায় অবৈধভাবে দখলে নেওয়া জমিও বাতিল হওয়া প্লটের মধ্যে পড়েছে।
জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল মান্নান বলেন, বাতিল হওয়া এসব প্লটে নতুন করে কোনো স্থাপনা নির্মাণ বা ইজারা দেওয়া আইনগতভাবে বৈধ নয়। দ্রুত সময়ের মধ্যে উচ্ছেদ করা হবে।