শুক্রবার, অক্টোবর ৩০, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

আফগানিস্তানসহ ৪ দেশের শিক্ষার্থীদের স্টাডি ভিসা বন্ধের সিদ্ধান্ত যুক্তরাজ্যের

আফগানিস্তানসহ ৪ দেশের শিক্ষার্থীদের স্টাডি ভিসা বন্ধের সিদ্ধান্ত যুক্তরাজ্যের

আফগানিস্তানসহ ৪ দেশের শিক্ষার্থীদের স্টাডি ভিসা বন্ধের সিদ্ধান্ত যুক্তরাজ্যের

যুক্তরাজ্য জানিয়েছে, আফগানিস্তান, ক্যামেরুন, মিয়ানমার ও সুদানের শিক্ষার্থীদের জন্য স্টাডি ভিসা (শিক্ষার্থী ভিসা) স্থগিত করা হবে বলে। পাশাপাশি আফগান নাগরিকদের জন্য ওয়ার্ক ভিসা বা কাজের অনুমতিও বন্ধ করা হচ্ছে। দেশটিতে অভিবাসনবিরোধী মনোভাব বাড়তে থাকায় সরকার এ কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মঙ্গলবার (৩ মার্চ) যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, স্টাডি ভিসায় আসা শিক্ষার্থীদের মধ্যে রাজনৈতিক আশ্রয়ের (অ্যাসাইলাম) আবেদন নাটকীয়ভাবে বেড়ে যাওয়ায় প্রথমবারের মতো এই চার দেশের নাগরিকদের ওপর ভিসা প্রদানে জরুরি ব্রেক বা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে আফগানিস্তান, ক্যামেরুন, মিয়ানমার ও সুদানের শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন ৪৭০ শতাংশেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।

যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদ বলেন, ‘ব্রিটেন সবসময় যুদ্ধ ও নিপীড়ন থেকে পালিয়ে আসা মানুষকে আশ্রয় দেবে। কিন্তু আমাদের ভিসা ব্যবস্থার অপব্যবহার করতে দেওয়া হবে না। আমাদের উদারতার সুযোগ নিতে চাওয়া ওই নির্দিষ্ট দেশগুলোর নাগরিকদের ভিসা প্রত্যাখ্যানের নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত আমি নিয়েছি।

যুক্তরাজ্যের রাজনীতিতে বর্তমানে অভিবাসন একটি বড় ইস্যু হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে অভিবাসনবিরোধী অবস্থানের কারণে কট্টরপন্থী দল ‘রিফর্ম ইউকে’ জনমতে শক্ত অবস্থান তৈরি করছে। জনরোষ প্রশমিত করা এবং রিফর্ম ইউকে–এর উত্থান ঠেকাতে প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের সরকার রাজনৈতিক আশ্রয়ের প্রক্রিয়া আরও কঠোর করেছে এবং অবৈধভাবে দেশে প্রবেশকারীদের বিতাড়ন কার্যক্রম দ্রুততর করেছে।

যুক্তরাজ্যের প্রেস অ্যাসোসিয়েশন (পিএ) জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার অভিবাসনবিধিতে পরিবর্তন এনে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ভিসা নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হবে।

একই দিনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদ এক বক্তৃতায় রাজনৈতিক আশ্রয় প্রক্রিয়ার আরও কঠোর রূপরেখা তুলে ধরবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

প্রেস অ্যাসোসিয়েশনের তথ্যমতে, নতুন নিয়ম অনুযায়ী যুক্তরাজ্যে আশ্রয়প্রার্থীদের প্রতি ৩০ মাস অন্তর তাদের শরণার্থী মর্যাদা পর্যালোচনা করা হবে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো যুক্তরাজ্যকে আশ্রয়প্রার্থীদের কাছে কম আকর্ষণীয় করে তোলা।

হোম অফিস আরও জানিয়েছে, ২০২৫ সালে স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের আশ্রয়ের আবেদন ২০ শতাংশ কমানো সম্ভব হয়েছে। তবে ‘স্টাডি ভিসা’য় আসা ব্যক্তিদের আবেদন এখনও মোট আবেদনের ১৩ শতাংশ। ফলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এ ধরনের আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছে সরকার।