বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বাংলাদেশের চলচ্চিত্র নিয়ে বাজী ধরলেন আজিম হারুন।

বাংলাদেশের চলচ্চিত্র নিয়ে বাজী ধরলেন আজিম হারুন।

বাংলাদেশের চলচ্চিত্র নিয়ে বাজী ধরলেন আজিম হারুন।

বাংলাদেশি চলচ্চিত্রে বিদেশি বিনিয়োগ এখনো খুব একটা নিয়মিত দেখা যায় না। তবে সাম্প্রতিক সময়ে বড় বাজেটের দুটি ছবির সঙ্গে যুক্ত হয়ে আলোচনায় এসেছেন শ্রীলঙ্কার প্রযোজক আজিম হারুন। এর আগে তিনি যৌথভাবে বিনিয়োগ করেছিলেন বড় বাজেটের ‘বরবাদ’ সিনেমায়।

তিনি এবার ঈদে ‘রাক্ষস’ ছবির প্রযোজনা করেছেন। রিয়েল এনার্জি প্রডাকশনের ব্যানারে এই দুটি ছবিরই পরিচালক মেহেদী হাসান হৃদয়।

একজন বিদেশি হিসেবে কেন তিনি বাংলাদেশি ছবি প্রযোজনায় যুক্ত হলেন? এমন প্রশ্নের জবাবে আজিম হারুন জানান, মূলত সিনেমার প্রতি ভালোবাসা থেকেই এই শিল্পে তার সম্পৃক্ততা। বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে তিনি বড় সম্ভাবনা দেখেছেন।

তার মতে, এ দেশে অনেক প্রতিভাবান নির্মাতা ও শিল্পী আছেন। সঠিক দৃষ্টি, পরিকল্পনা এবং নতুন ধরনের সিনেমা নির্মাণের উদ্যোগ থাকলে এই শিল্প আরও এক ধাপ এগিয়ে যেতে পারে। দর্শকদের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ সংযোগ তৈরি করাও জরুরি বলে মনে করেন তিনি।আজিম হারুন

এ দেশের চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রি নিয়ে তিনি বেশ আশাবাদী। আজিম জানান, সামনে আরও ভালো এবং গল্পনির্ভর চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে চান। শুধু অ্যাকশনধর্মী ছবি নয়, বিভিন্ন ঘরানার সিনেমা তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে তার। একই সঙ্গে বাংলাদেশের চলচ্চিত্রকে আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যও রয়েছে।

আজিম হারুন মনে করেন, তুরস্ক ও দক্ষিণ কোরিয়ার চলচ্চিত্র যেভাবে বিভিন্ন দেশে ডাবিং হয়ে নতুন নতুন বাজার তৈরি করেছে, বাংলাদেশি চলচ্চিত্রও সেভাবে আন্তর্জাতিক দর্শকের কাছে পৌঁছাতে পারে। এজন্য প্রয়োজন মানসম্মত কনটেন্ট তৈরি করা। তার ভাষায়, দর্শকদের জন্য ভালো মানের সিনেমা তৈরি করতে পারলেই তারা সেটিকে গ্রহণ করবে এবং ভালোবাসবে।