শনিবার, অক্টোবর ৩১, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

দ্রুত ফুরোচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রভান্ডার, দুশ্চিন্তায় পেন্টাগন

দ্রুত ফুরোচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রভান্ডার, দুশ্চিন্তায় পেন্টাগন

দ্রুত ফুরোচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রভান্ডার, দুশ্চিন্তায় পেন্টাগন

চলমান ইরান যুদ্ধে বেশি পরিমাণ টমাহক ক্ষেপণাস্ত্রের ব্যবহারে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন পেন্টাগনের কর্মকর্তারা। চার সপ্তাহের যুদ্ধে ৮৫০টির বেশি টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে মার্কিন সেনাবাহিনী।টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র নৌযান এবং সাবমেরিন থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য এবং এক হাজার মাইলের বেশি দূরত্ব অতিক্রম করতে পারে। বর্তমানে বছরে মাত্র কয়েকশটি ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদিত হয়, তাই বিশ্বব্যাপী এর সরবরাহ সীমিত। 

আধুনিক টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র ২০০৪ সাল থেকে ব্যবহৃত হচ্ছে যা জিপিএস ও স্যাটেলাইটের মাধ্যমে লক্ষ্য নির্ধারণ করতে সক্ষম।

পেন্টাগনের কর্মকর্তাদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র সংখ্যা এখন ‘চিন্তার বিষয়’। যথাযথ ব্যবস্থা না নিলে দ্রুতই স্টক শেষ হয়ে যেতে পারে। পেন্টাগনের অফিসিয়াল বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে আমরা ‘উইনচেস্টার’-এর কাছাকাছি পৌঁছাচ্ছি—যা সামরিক ভাষায় গোলাবারুদ শেষ হওয়া বুঝায়।

টমাহক ক্ষেপণাস্ত্রের একক মূল্য সর্বোচ্চ ৩ দশমিক ৬ মিলিয়ন ডলার এবং তৈরি হতে দুই বছর সময় লাগে। পেন্টাগন এরই মধ্যে উৎপাদন বাড়ানোর জন্য উচ্চ-পর্যায়ের বৈঠক করেছে।

 

 

এদিকে মার্কিন কংগ্রেস সাম্প্রতিক একটি প্রতিবেদনে জানিয়েছে, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা থাড এর মোট মজুতের এক তৃতীয়াংশেরও বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

রিপোর্টে বলা হয়েছে, কয়েকটি থাড রাডার সিস্টেম ধ্বংস হয়েছে এবং সেগুলো পুনঃস্থাপন করতে কয়েক বছরের বেশি সময় লাগবে। এর ফলে পারস্য উপসাগরের দক্ষিণাঞ্চলের মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার বিরুদ্ধে অরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে।

রিপোর্টে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ইরান ইতোমধ্যেই ইসরাইলের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে দিয়েছে। এখন তাদের লক্ষ্য প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ক্ষেপণাস্ত্র ও রাডার উৎপাদনকারক কারখানাগুলো ধ্বংস করা।