মঙ্গলবার, জুলাই ২৮, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

অ্যামেলিয়ার ১৭৯, বিশ্বরেকর্ড গড়ে নিউজিল্যান্ডের জয়

অ্যামেলিয়ার ১৭৯, বিশ্বরেকর্ড গড়ে নিউজিল্যান্ডের জয়

অ্যামেলিয়ার ১৭৯, বিশ্বরেকর্ড গড়ে নিউজিল্যান্ডের জয়

রান তাড়ার লক্ষ্যটা ছিল প্রায় আকাশসম। কিন্তু অধিনায়ক অ্যামেলিয়া কারের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে সেই অসম্ভবকেই সম্ভব করল নিউজিল্যান্ড। তার অনবদ্য ১৭৯ রানের ইনিংসে ভর করে নারী ওয়ানডে ক্রিকেটে সর্বোচ্চ রান তাড়ার বিশ্বরেকর্ড গড়ে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ২ উইকেটে হারিয়েছে তারা।

বুধবার ওয়েলিংটনের বেসিন রিজার্ভে ৩৪৬ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ২ বল হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে স্বাগতিকরা। এটি নারী ওয়ানডে ইতিহাসে সর্বোচ্চ সফল রান তাড়া। এর আগে ৩৩৮ রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড ছিল ভারতের।

তিন নম্বরে নেমে ইনিংসের শুরু থেকেই দায়িত্ব নিয়ে খেলেন অ্যামেলিয়া কার। ১৩৯ বলের ইনিংসে ২৩টি চার ও ১টি ছক্কায় অপরাজিত ১৭৯ রান করেন তিনি। এটি শুধু নিউজিল্যান্ডের সর্বোচ্চ রান তাড়ার ইনিংসই নয়, জয়ের ম্যাচে নারী ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত স্কোরও।

এর আগে ২০২৪ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ১৯৫ রান করেছিলেন চামারি আতাপাত্তু, তবে দলকে জেতাতে পারেননি। ফলে কারের এই ইনিংসই এখন জয়ের প্রেক্ষাপটে সর্বোচ্চ।

এর আগে অবশ্য ক্যারিয়ারে ২৩২ রানের ইনিংসও রয়েছে কারের, যা তিনি খেলেছিলেন মাত্র ১৭ বছর বয়সে।

দক্ষিণ আফ্রিকা আগে ব্যাট করে বড় সংগ্রহ গড়ে তোলে। অধিনায়ক লরা উলভার্ট করেন ৬৯ রান, আনেকা বশ করেন ৯১। এছাড়া ক্লোয়ি ট্রায়ন শেষ দিকে ২৫ বলে ৫২ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন।

জবাবে শুরুটা ভালো ছিল না নিউজিল্যান্ডের। তবে ধীরে ধীরে ইনিংস গড়েন কার। ৫৬ বলে ফিফটি এবং ৯০ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করে এরপর আরও ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠেন তিনি। ইজি গেজের সঙ্গে গড়েন গুরুত্বপূর্ণ ১২০ রানের জুটি।

শেষ ৩ ওভারে দরকার ছিল ৩৩ রান। চাপে থেকেও অসাধারণ ধৈর্য ও আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে দলকে জয়ের পথে নিয়ে যান কার। শেষ ওভারে প্রয়োজনীয় ১১ রান তুলে ইতিহাস গড়েন তিনি।

এই জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজে ১-১ সমতা ফিরিয়েছে নিউ জিল্যান্ড। এখন সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে একই ভেন্যুতে আগামী শনিবার।