কুষ্টিয়া স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) কার্যালয়ে নানা অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। ধারাবাহিক গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশের পর কুষ্টিয়া এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী রাজু আহমদকে স্ট্যান্ড রিলিজ করা হলেও, অভিযোগ উঠেছে তিনি এখনও পূর্বের কর্মস্থলেই দায়িত্ব পালন করছে কিভাবে।
অফিস আদেশ সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের স্মারক নং ৪৬.০২.০০০০.০০১.৯৯.১৮৭.১৮.২৬১৭, তারিখ ৩০ মার্চ ২০২৬ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে বদলি করে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের জন্য ১ এপ্রিল ২০২৬ থেকে স্ট্যান্ড রিলিজ প্রদান করা হয়। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, তিনি এখনও কুষ্টিয়া অফিসে কার্যক্রম পরিচালনা করছেন, যা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে তাহলে কি বদলি আদেশটি গোপনে অথ্যের বিনময়ে বাতিল করা হয়েছে?
এদিকে, এলজিইডির অভ্যন্তরে আরও কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গুরুতর দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। কুমারখালী উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ নাজমুল হোসেন, সহকারী প্রকৌশলী মোঃ সাইফুল ইসলাম ও মোছা: রত্নার বিরুদ্ধে সিন্ডিকেট গড়ে তোলা, ঘুষ বাণিজ্য এবং অনিয়মের মাধ্যমে অফিস নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ রয়েছে। তবে তাদের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত কোনো দৃশ্যমান শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা করেননি প্রকৌশলী ও চিপ ইন্জিনিয়ার। তাদের ভাস্য অনুযায়ি বোঝা যাচ্ছে মাসিক
মাসহারা ঠিক থাকলেই সব ঠিক। নির্ষাতনে শিকার হচ্ছে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান,নাম প্রকাশে করতে অচ্ছুক ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান এই প্রতিবেদকে জানায় যে, যেসকল নির্মম মানের ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান,নির্মম মানের সামগ্রী দিয়ে করাহয় কাজ,সেসকল তথ্য প্রকাশিত হয় বিভিন্ন টিভি,আঞ্চলিক ও দৈনিক জাতীয় পত্রিকাতে প্রকাশিত হয়,০৯,১০,১১,১২ ও ১৩ ই মার্চ ২০২৬ ইং তারিখে, পরে-ও তাদের বিরুদ্ধে নেওয়া হয়নি কোন ব্যাবস্থা না নিয়ে, রাতের আধারে বিল পরিশোধ করে দিয়েছে বলে জানা জায়।অপরদিকে ভালো মানের কাজ করেছে বলে জানা ন এলাকাবাসী। নিউজ করার করনে উদ্দেশ্য মুলক সেই ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানে বিল না দিয়ে করা হয়েছে অনিয়মের ছিঠি দিয়েছে
তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (চ:দা:)মো: শরিফ হোসেন ,১৫/০৩/২০২৬ ইং তারিখে অবচয় ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানটি বিলের জন্য আবেদন করেন,০৯/০৩/২০২৬ ইং তারিখে সড়ক নির্মাণ কজের অনিয়ম ও কর্মরত অফিসারদের ঘুষের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ ম্যাধমে ব্যাপক ভাইরাল হয়।
ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান কর্মকর্তা গন,মিডিয়া কর্মীদের কাছে সাক্ষাৎকার দেওয়াতে সেসকল প্রতিষ্ঠানের বিল আটকিয়ে রাখে,এবং তার অনান্যা কাজের সাইডে গিয়ে বিভিন্ন রকম হয়রানি করতেছে বলে জানান ভুক্তভোগী ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান।
অভিযোগ রয়েছে, সান্দেয়ারা টু পান্টি ও নন্দলালপুর ইউনিয়নসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতির তথ্য গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ায়, যারা সঠিকভাবে কাজ সম্পন্ন করেছেন, তারাই বরং হয়রানির শিকার হচ্ছেন।
ভুক্তভোগী এক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স এমডি আব্দুস সামাদ খান অভিযোগ করে জানায়, তারা সঠিকভাবে কাজ সম্পন্ন করলেও তাদের বিল আটকে রাখা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে ৮ মার্চ ২০২৬ তারিখে বিল পরিশোধের জন্য লিখিত আবেদন করা হয়। পরবর্তীতে ১৫ মার্চ ২০২৬ তারিখে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (চঃ দাঃ) লিখিতভাবে বিল পরিশোধ না করার নির্দেশ দেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ফলে ডাব্লুবিএম ও এজিং প্রকল্পের রিক্যাস্ট বিল দীর্ঘদিন ধরে আটকে রয়েছে।
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের দাবি, এলজিইডির অনিয়মের প্রতিবাদ করা এবং গণমাধ্যমের শরণাপন্ন হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে প্রতিহিংসামূলক আচরণ করা হচ্ছে। এতে প্রতিষ্ঠানটি মারাত্মক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল |
মীর রকিবুল ইসলাম