আন্তর্জাতিকভাবে গতকাল শুক্রবার মুক্তি পেয়েছে আমেরিকান অতিপ্রাকৃত ভৌতিক সিনেমা ‘দ্য মমি’। একই দিনে বাংলাদেশের স্টার সিনেপ্লেক্সেও মুক্তি পেয়েছে ছবিটি।
জনপ্রিয় ‘মমি’ ফ্র্যাঞ্চাইজির এই নতুন সংস্করণটি আগের অ্যাডভেঞ্চারধর্মী ছবিগুলোর থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন ঘরানার। এটি একটি আর-রেটেড বডি-হরর চলচ্চিত্র, যেখানে রয়েছে তীব্র ভয়াবহ ও নৃশংস দৃশ্য।
সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন লি ক্রোনিন।
ছবিতে অভিনয় করেছেন জ্যাক রেনর, লাইয়া কস্তা, মে ক্যালামাউই, নাটালি গ্রেস ও ভেরোনিকা ফ্যালকন।
গল্পটি এক সাংবাদিক বাবা ও তার পরিবারের চারপাশে আবর্তিত। একসময় সুখী এই পরিবারে হঠাৎ তাদের ছোট মেয়ে নিখোঁজ হয়ে যায়। দীর্ঘ আট বছর পর মরুভূমির এক এলাকায় তাকে জীবিত অবস্থায় পাওয়া যায়। আশ্চর্যের বিষয়, মেয়েটির বয়স যেন একটুও বাড়েনি।
পরিবার তাকে ফিরে পেয়ে আনন্দিত হলেও ধীরে ধীরে অস্বাভাবিক ঘটনা শুরু হয়। মেয়েটির আচরণ বদলে যেতে থাকে, রাতে ঘটে অদ্ভুত সব ঘটনা।
এক পর্যায়ে তার শরীরে ভয়ংকর পরিবর্তন দেখা দেয় এবং ধারণা হয় সে আর সম্পূর্ণ মানুষ নয়, বরং কোনো প্রাচীন অভিশাপের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছে।
গল্প যত এগোয়, ততই স্পষ্ট হয় যে এটি শুধু নিখোঁজ হওয়ার কাহিনি নয়, বরং এক ভয়ংকর রূপান্তর ও পারিবারিক ট্র্যাজেডির গল্প। মেয়েটির শরীর ধীরে ধীরে মমির মতো হয়ে ওঠে এবং তার ভেতরে অস্বাভাবিক ক্ষমতার প্রকাশ ঘটতে থাকে। পরিবার শেষ পর্যন্ত এক কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হয়।
মুক্তির আগেই ‘দ্য মমি’ সমালোচক ও দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি করেছে।