ভোলায় বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহি মোহাম্মদ মোস্তফা কামালের ৫৫ তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা, দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যায় ভোলা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে ব-দ্বীপ ফোমারের আয়োজন আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. ইব্রাহীম, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হারুন অর রশীদ ট্রুম্যান, এনামুল হক, আহ্বায়ক সদস্য ইয়ারুল আলম লিটন,সু-শাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) ভোলা জেলা সভাপতি মো. মোবাশ্বের উল্লাহ চৌধুরী, ভোলা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি সুলাইমান, সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন লিটন প্রমুখ।
বক্তারা আলোচনা সভায় বলেন, বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল দেশের জন্য আত্মত্যাগ শুধু ভোলা নয়, সারা বিশ্বের কাছে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। এখনো লাখো কোটি বাঙালি মোস্তফা কামালের নাম শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে। এময় শহরের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তাফা কামালের নামে নামকরণের দাবি জানান।
পরে বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহি মোহাম্মদ মোস্তফা কামালের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
উল্লেখ্য, সিপাহী মোস্তফা কামাল ১৯৭১ সালের ১৮ এপ্রিল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার দরুইনে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখযুদ্ধে শহীদ হন তিনি। মুক্তিযুদ্ধের প্রথম শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ এই অসীম সাহসী যোদ্ধা। তিনি ১৯৪৭ সালের ১৬ ডিসেম্বর ভোলার দৌলতখান উপজেলার হাজিপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম হাবিবুর রহমান। ১৯৮২ সালে মেঘনার গ্রাসে বসত বাড়িটি বিলীন হয়ে গেলে তার পরিবার ভোলা সদরের আলীনগর ইউনিয়নের মৌটুপি গ্রামে চলে আসে। এরপর বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৫৫ পদাধিক ডিভিশনের পক্ষ থেকে ৯২ শতাংশ জমির ওপর একতলা ভবন নির্মাণ করে দেওয়া হয়। বাড়িটির নাম দেওয়া হয় ‘শহীদ স্মরণিকা’।
মোঃ আজাদ, ভোলা জেলা প্রতিনিধি