রবিবার, নভেম্বর ১, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

স্বনামধন্য কৌতুক অভিনেতা আনিসুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী আজ।

স্বনামধন্য কৌতুক অভিনেতা আনিসুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী আজ।

স্বনামধন্য কৌতুক অভিনেতা আনিসুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী আজ।

বাংলা চলচ্চিত্র, মঞ্চ ও টেলিভিশনে যিনি হাসির মাধ্যমে প্রজন্মের পর প্রজন্মকে আনন্দ দিয়েছেন, সেই প্রিয় মুখকে আজ গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করছি।

১৯৪০ সালের ৪ এপ্রিল তৎকালীন বাংলার জলপাইগুড়িতে জন্মগ্রহণ করেন এই গুণী অভিনেতা। পরবর্তীতে ঢাকায় এসে ১৯৫৭ সালের দিকে চলচ্চিত্র জগতে যাত্রা শুরু করেন সহকারী চিত্র সম্পাদক হিসেবে। কাজের মধ্য দিয়েই ধীরে ধীরে অভিনয়ের সুযোগ পান এবং নিজের স্বতন্ত্র ভঙ্গিতে দর্শকের হৃদয়ে জায়গা করে নেন।

১৯৬০ সালে ‘বিষকন্যা’ ছবির মাধ্যমে কৌতুক অভিনেতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করলেও ছবিটি মুক্তি পায়নি। ১৯৬৩ সালে ‘এই তো জীবন’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বড় পর্দায় তার যাত্রা শুরু হয়। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। অভিনয় করেছেন আড়াই শতাধিক চলচ্চিত্রে।

নোয়াখালীর আঞ্চলিক ভাষায় তার অভিনয় ছিল বিশেষ আকর্ষণ, যার কারণে তিনি ‘নোয়াখাইল্লা আনিস’ নামেই অধিক পরিচিতি পান। ষাট থেকে নব্বইয়ের দশক পর্যন্ত তিনি ছিলেন কৌতুক অভিনয়ের শীর্ষে—একজন সত্যিকারের ‘হাসির রাজা’।

মঞ্চ, টেলিভিশন ও চলচ্চিত্র—সব মাধ্যমেই ছিল তার সমান দক্ষতা। বিশেষ করে ‘নবাব সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকে গোলাম হোসেন চরিত্রে অভিনয় করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। বাংলাদেশ টেলিভিশনের খ্যাতনামা ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘যদি কিছু মনে না করেন’-এ তার কৌতুক পরিবেশন দর্শকদের কাছে ছিল ভীষণ প্রিয়।

‘জরিনা সুন্দরী’, ‘জংলী মেয়ে’, ‘সাইফুল মুলক বদিউজ্জামাল’, ‘মধুমালা’, ‘ডাকবাবু’, ‘শহীদ তিতুমীর’সহ অসংখ্য চলচ্চিত্রে তার অভিনয় আজও স্মরণীয়।

ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন অত্যন্ত সহজ-সরল একজন মানুষ। নিজেকে নিয়ে তিনি বলতেন—
“আমি একজন সফল মানুষ। আমি নিজে হাসি, অন্যকে হাসাই—দুঃখ বলে কিছু নেই আমার জীবনে।”

২০১৪ সালে প্রিয় স্ত্রীর মৃত্যুর পর অভিনয় থেকে সরে দাঁড়ান তিনি। ২০১৯ সালের ২৯ এপ্রিল এই কিংবদন্তি অভিনেতা না ফেরার দেশে পাড়ি জমান।

তার মৃত্যুতে একটি হাসির যুগের অবসান হলেও—তার অভিনয়, তার কণ্ঠ, তার হাসি আজও বেঁচে আছে দর্শকের হৃদয়ে। শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি আমরা এন্টার টিভি পরিবার প্রিয় এই শিল্পীকে।বাংলা চলচ্চিত্র, মঞ্চ ও টেলিভিশনে যিনি হাসির মাধ্যমে প্রজন্মের পর প্রজন্মকে আনন্দ দিয়েছেন, সেই প্রিয় মুখকে আজ গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করছি।

১৯৪০ সালের ৪ এপ্রিল তৎকালীন বাংলার জলপাইগুড়িতে জন্মগ্রহণ করেন এই গুণী অভিনেতা। পরবর্তীতে ঢাকায় এসে ১৯৫৭ সালের দিকে চলচ্চিত্র জগতে যাত্রা শুরু করেন সহকারী চিত্র সম্পাদক হিসেবে। কাজের মধ্য দিয়েই ধীরে ধীরে অভিনয়ের সুযোগ পান এবং নিজের স্বতন্ত্র ভঙ্গিতে দর্শকের হৃদয়ে জায়গা করে নেন।

১৯৬০ সালে ‘বিষকন্যা’ ছবির মাধ্যমে কৌতুক অভিনেতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করলেও ছবিটি মুক্তি পায়নি। ১৯৬৩ সালে ‘এই তো জীবন’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বড় পর্দায় তার যাত্রা শুরু হয়। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। অভিনয় করেছেন আড়াই শতাধিক চলচ্চিত্রে।

নোয়াখালীর আঞ্চলিক ভাষায় তার অভিনয় ছিল বিশেষ আকর্ষণ, যার কারণে তিনি ‘নোয়াখাইল্লা আনিস’ নামেই অধিক পরিচিতি পান। ষাট থেকে নব্বইয়ের দশক পর্যন্ত তিনি ছিলেন কৌতুক অভিনয়ের শীর্ষে—একজন সত্যিকারের ‘হাসির রাজা’।

মঞ্চ, টেলিভিশন ও চলচ্চিত্র—সব মাধ্যমেই ছিল তার সমান দক্ষতা। বিশেষ করে ‘নবাব সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকে গোলাম হোসেন চরিত্রে অভিনয় করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। বাংলাদেশ টেলিভিশনের খ্যাতনামা ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘যদি কিছু মনে না করেন’-এ তার কৌতুক পরিবেশন দর্শকদের কাছে ছিল ভীষণ প্রিয়।

‘জরিনা সুন্দরী’, ‘জংলী মেয়ে’, ‘সাইফুল মুলক বদিউজ্জামাল’, ‘মধুমালা’, ‘ডাকবাবু’, ‘শহীদ তিতুমীর’সহ অসংখ্য চলচ্চিত্রে তার অভিনয় আজও স্মরণীয়।

ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন অত্যন্ত সহজ-সরল একজন মানুষ। নিজেকে নিয়ে তিনি বলতেন—
“আমি একজন সফল মানুষ। আমি নিজে হাসি, অন্যকে হাসাই—দুঃখ বলে কিছু নেই আমার জীবনে।”

২০১৪ সালে প্রিয় স্ত্রীর মৃত্যুর পর অভিনয় থেকে সরে দাঁড়ান তিনি। ২০১৯ সালের ২৯ এপ্রিল এই কিংবদন্তি অভিনেতা না ফেরার দেশে পাড়ি জমান।

তার মৃত্যুতে একটি হাসির যুগের অবসান হলেও—তার অভিনয়, তার কণ্ঠ, তার হাসি আজও বেঁচে আছে দর্শকের হৃদয়ে। শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি আমরা এন্টার টিভি পরিবার প্রিয় এই শিল্পীকে।