শনিবার, অক্টোবর ৩১, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

একসময় মানবেতর জীবন কাটানো দ্য রক কত টাকার মালিক তিনি

একসময় মানবেতর জীবন কাটানো দ্য রক কত টাকার মালিক তিনি

একসময় মানবেতর জীবন কাটানো দ্য রক কত টাকার মালিক তিনি


বিশ্বব্যাপী ‘দ্য রক’ হিসেবে সমধিক পরিচিত ডোয়াইন জনসন। তিনি একজন অত্যন্ত সফল মার্কিন-কানাডীয় অভিনেতা, প্রযোজক এবং অবসরপ্রাপ্ত পেশাদার রেসলার। পেশাদার রেসলার পরিবারে তার জন্ম। জনসন প্রাথমিক জীবনে রেসলার ছিলেন। অভিনয়ে আসার আগে তিনি WW-তে একজন রেসলার হিসেবে বিশ্বজুড়ে খ্যাতি অর্জন করেন তিনি। শনিবার (২ মে) ছিল তার জন্মদিন। ১৯৭২ সালের এই দিনে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।

কিংবদন্তি রেসলার ও হলিউড অভিনেতা ডোয়াইন জনসনের পরিবারে রেসলিংয়ের ঐতিহ্য থাকলেও তার শৈশব ছিল আর্থিক অনিশ্চয়তায় ভরা। একসময় তাদের পরিবারকে বাড়ি থেকেও উচ্ছেদ হতে হয়েছিল। থাকার জায়গা ছিল না তার পরিবারে। শৈশব থেকেই আয়ের দিকে ঝুঁকে ছিলেন তিনি। প্রথম জীবনে তিনি আমেরিকান ফুটবলে ক্যারিয়ার গড়তে চেয়েছিলেন; কিন্তু চোট ও সুযোগের অভাবে সেই স্বপ্ন ভেঙে যায়। এরপরই তিনি পা রাখেন রেসলিং দুনিয়ায়। সেই রেসলিং থেকে হলিউডের শীর্ষে ওঠা তার যাত্রা যেমন অনুপ্রেরণাদায়ক ছিল, ঠিক তেমনই সংগ্রাম ও সাফল্যের অসাধারণ এক গল্প।

ক্যারিয়ারের শুরুতে হলিউডে তাকে অনেকেই শুধু রেসলার হিসেবেই দেখতেন। হঠাৎই রেসলিংকে বিদায় জানিয়ে তিনি নাম লেখান সিনেমায়। সিরিয়াস অভিনেতা হিসেবে গ্রহণযোগ্যতা পেতে তার সময় লেগেছে। তবে ধারাবাহিক পরিশ্রম, নিজেকে বদলানোর মানসিকতা এবং দৃঢ় আত্মবিশ্বাস তাকে সেই সীমাবদ্ধতা ভেঙে দিয়েছে।

‘দ্য রক’খ্যাত এ অভিনেতা দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন। তার ক্যারিশমাটিক উপস্থিতি এবং মাইক্রোফোন স্কিল তাকে ভক্তদের প্রিয় করে তোলে। পরবর্তী সময় জনপ্রিয়তাই তাকে হলিউডে স্থায়ী আসন গড়ে দেয়। শুরুটা ‘দ্য স্করপিয়ন কিং’ দিয়ে হলেও তিনি ‘ফাস্ট অ্যান্ড ফিউরিয়াস’, ‘জুমানজি’, ‘ব্ল্যাক অ্যাডাম’সহ অনেক সিনেমায় দারুণ অভিনয় করেন। একসময় বক্স অফিসেও দাপট দেখিয়েছেন এ অভিনেতা।

তিনি প্রমাণ করেছেন, পরিশ্রম আর ধৈর্য থাকলে পরিচয়ের গণ্ডি ভেঙে নতুন জায়গায় প্রতিষ্ঠা পাওয়া সম্ভব। সে জন্য তিনি বারবার বলেন, সফলতা সবসময় মহান হওয়ার বিষয় নয়, বরং ধারাবাহিকতার ফল। বিনয়ী থাকো, শেখার ক্ষুধা রাখো এবং সবসময় সবচেয়ে পরিশ্রমী হও। এ সাফল্যের পেছনে রয়েছে তার গভীর ব্যক্তিগত লড়াইও। ক্যারিয়ারের শুরুর ব্যর্থতা, অর্থকষ্ট— এমনকি মানসিক চাপের কথাও তিনি খোলামেলা স্বীকার করেছেন।

জীবনের কঠিন সময়ই তাকে আরও শক্ত করেছে এবং নিজেকে নতুনভাবে গড়ে তুলতে সাহায্য করেছে। ডোয়াইন জনসন শুধু একজন তারকা নন, তিনি একটা প্রতীক। সংগ্রাম থেকে উঠে এসে বিশ্বজয়ের গল্প আর কঠোর পরিশ্রমের উদাহরণ এবং আত্মবিশ্বাসের এক জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। তার এই যাত্রা আবারও মনে করিয়ে দেয়— স্বপ্ন যত বড়ই হোক, লড়াই চালিয়ে গেলে একদিন তা বাস্তব হয়।