রবিবার, নভেম্বর ১, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

১২৮ মেয়ের সম্মান বাঁচিয়েছিলেন অভিনেতা সুনীল

১২৮ মেয়ের সম্মান বাঁচিয়েছিলেন অভিনেতা সুনীল

১২৮ মেয়ের সম্মান বাঁচিয়েছিলেন অভিনেতা সুনীল

নিউজ ডেস্ক:

বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা সুনীল শেঠিকে সিনেমায় হিরো হিসেবে বহুবার দেখা গেছে। কিন্তু বাস্তব জীবনেও তিনি যে হিরো, তা এখন মানুষ ভুলতে পারেননি। অনেক তারকাই আছেন, যারা বাস্তব জীবনেও এমন কাজ করেন যে, তাদের রিয়েল লাইফ হিরো বলা হয়। এমন একজন অভিনেতাই হলেন সুনীল শেঠি। যে কিনা মানব পাচার থেকে ১২৮ নারীকে বাঁচিয়েছিলেন।

সুনীল শেঠি ১৯৯৬ সালে এমন কিছু করেছিলেন, যার জন্য আজও তার সাহসিকতার প্রশংসা করা হয়। কী ঘটে ছিল সেদিন? দুর্ঘটনাটি ১৯৯৬ সালে ঘটেছিল। বলা হয় যে এ ঘটনা আজও গোপন থাকত, যদি চারিমায়া তামাং সুনীল শেঠির সাহসিকতার প্রশংসা না করতেন।

চারিমায়া তামাং হচ্ছেন নেপালের একজন অসামান্য নারী অধিকার কর্মী এবং মানব পাচারবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ। তিনি নিজে পাচারের শিকার হয়েও যে সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন, তা তাকে আধুনিক দিনের দাসত্ববিরোধী আন্দোলনের এক আইকনিক হিসেবে পরিণত করেছে। 'দ্য ফরগটেন ওয়ানস: হিউম্যান ট্র্যাফিকিং ইন নেপাল'-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন— ‘যখন সরকার এই অপারেশনটি কীভাবে করতে হবে তা নিয়ে দ্বিধায় ছিল, তখন ভারতীয় চলচ্চিত্রের হিরো সুনীল শেঠি আমাদের সমর্থন করেছিলেন।’

১৯৯৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি মুম্বাই পুলিশ কামাঠিপুরার রেডলাইট এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১৪ থেকে ৩০ বছর বয়সি ট্র্যাফিকিংয়ের শিকার ৪৫৬ জনকে উদ্ধার করে। উদ্ধার করা ৪৫৬ নারীর মধ্যে ১২৮ জন নেপালের ছিলেন। এখন যেহেতু এই নারীদের বেশিরভাগের কাছে নাগরিকত্বের কোনো প্রমাণ ছিল না, তাই নেপাল সরকারও তাদের ফিরিয়ে নিতে দ্বিধাগ্রস্ত ছিল। সুনীল সবার ফ্লাইটের টিকিট বুক করে দেন।