মোহাম্মদ এজাজ, দূর্দশী সাহসী আপোষহীন সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে লড়াই করে অবিচল পথ চলা একজন নদী রক্ষার সৈনিক৷ বর্তমানে তিনি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসকে দায়িত্ব পালনে নিয়োজিত৷ যিনি একযোগেরও বেশি সময় ধরে নদী নিয়ে গবেষণা করে আসছেন৷ নদী নিয়ে কাজ করা প্রতিটি মানুষই দেশপ্রেমী৷ দেশকে বাঁচাতে নদীর প্রয়োজন সুতরাং সেই নদী রক্ষা করা যার কাজ সেই মানুষটিকে রুখে দিতে কিছু অসাধু সুবিধা ভোগী ব্যাক্তিবর্গ বিভিন্ন কৌশলে ষড়যন্ত্রের জাল বুনে চলেছে বহু আগে থেকে কিন্তু সত্যের কাছে অসৎ কখনোই স্পর্শ করতে পারেনি৷ কারণ সত্যের জয় সবসময়ই হয়৷ সাম্প্রতিক উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজের বিরুদ্ধে যে প্রভাকান্ডা ছড়ানো হচ্ছে সেই বিষয়টি প্রতি হিংসা এবং প্রতিশোধ নেওয়ার মতো একটি বিষয় আমার কাছে মনে হচ্ছে৷ বিগত ১৯/০২/২৫ ইং তারিখে ভাটারা মৌজাস্থিত বারিধারা, জে - ব্লকের একজন বাসিন্দা এলাকাবাসীর পক্ষে কোকাকোলা রোড হইতে সৌদি মসজিদ পর্যন্ত সার্ভিস রোড সম্প্রসারন করতে উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজের বরাবরের আবেদন করেন৷ এছাড়াও ১৬/০৬/২৫ইং তারিখে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ সার্ভিস রোডের জমি উত্তর সিটি করপোরেশনকে হ্যান্ডোবারসহ উক্ত রাস্তার কার্যক্রম করতে সুপারিশ প্রদান করেন৷ রাজউক এবং এলাকাবাসীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জনগনের স্বার্থের প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ রাস্তার সম্প্রসারনের যথাযথ উদ্যোগ গ্রহন করেন৷ সিটিঃ প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ দেশের কল্যানে সাধারণ মানুষের সেবা দিতে গিয়ে কিছু মাফিয়াদের গরম ভাতে পানি ঢেলে দিয়েছেন৷ সার্ভিস রোডে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করতে গেলে বিভিন্ন রাজনৈতিক প্রভাবশালী নেতাদের বাঁধা মুখে পড়তে হচ্ছে৷ এমনকি মাফিয়াদের কাছে থেকে বিশাল অর্থের প্রস্তাবও করা হয়েছিলো কিন্তু প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজের সততার কাছে তাদের সকল চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজকে ফাঁসাতে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করতে থাকেন সেই মাফিয়ারা৷ সার্ভিস রোডের বিষয়ে একপ্রশ্নে প্রশাসক বলেন৷ কোকাকোলা রোড হইতে সৌদি মসজিদ পর্যন্ত সার্ভিস রোডের জমির মালিক রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ সুতরাং রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ যেহেতু সার্ভিস রোডের জমিটুকু জনস্বার্থে সার্ভিস রোড সম্প্রসারন করতে উত্তর সিটি করপোরেশনকে বুঝিয়ে দিয়েছে এবং এলাকার জনগণের পক্ষ থেকেও সার্ভিস সম্প্রসারন করতে আবেদন করেছে সেহেতু উত্তর সিটি করপোরেশন জনস্বার্থে সার্ভিস রোড সম্প্রসারন করতে বদ্ধপরিকর৷ তাছাড়া এই সামান্য ৩৫০ মিটার সার্ভিস রোড বন্ধ থাকায় উক্ত এলাকার হাজার হাজার কোমলমতি ছাত্রছাত্রীদের চার মাইল সরো পথ অতিক্রম করে রিক্সার জ্যামজট পেরিয়ে তাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেতে হয়৷ সুতরাং রাস্তাটুকু চালু হলে সাধারণ মানুষের এবং ছাত্রছাত্রীদের চলাচল সহজ ও সাশ্রয় হবে৷ আমি প্রশাসকে দায়িত্ব নিয়েছি জনগনের সেবা দিতে৷ আর জনগণের সেবা দিতে যত বাঁধাই আসুক আমাকে আটকাতে পারবেনা৷