কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় বজ্রপাতের ঘটনায় আহত তিন ব্যক্তির পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে উপজেলা প্রশাসন। ক্ষতিগ্রস্ত ও আহত পরিবারগুলোর মাঝে তাৎক্ষণিক নগদ অর্থ এবং খাদ্য সামগ্রী সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৪ জুন) বিকেল ৪টার দিকে বজ্রপাতের খবর পেয়ে উপজেলার চরফারাদী ইউনিয়নে ক্ষতিগ্রস্তদের বাড়িতে ছুটে যান পাকুন্দিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রুপম দাস। তিনি আহতদের খোঁজখবর নেন এবং উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও খাদ্যসামগ্রী তুলে দেন।
সহায়তা প্রদানকালে আরও উপস্থিত ছিলেন পাকুন্দিয়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান এবং চরফারাদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান।
আহতদের পরিবারের সদস্যরা জানান, হঠাৎ এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে তারা চরম আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন। চিকিৎসাসহ এই মুহূর্তে পরিবারের প্রয়োজনীয় খরচ মেটাতে উপজেলা প্রশাসনের এই দ্রুত ও মানবিক সহায়তা তাদের জন্য বড় স্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে ইউএনও রুপম দাস বলেন, "প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো উপজেলা প্রশাসনের অন্যতম দায়িত্ব। বজ্রপাতের মতো দুর্যোগ এড়াতে সবাইকে সর্বদা সতর্ক থাকতে হবে এবং আবহাওয়া খারাপ হলে খোলা জায়গায় না থেকে নিরাপদ স্থানে অবস্থান করতে হবে।"
উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বজ্রপাতসহ যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য এই মানবিক সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। যেকোনো দুর্ঘটনার সম্মুখীন হলে দ্রুত প্রশাসনকে অবহিত করার জন্যও স্থানীয়দের অনুরোধ জানানো হয়েছে।
একই সাথে প্রশাসনের কর্মকর্তারা স্থানীয়দের মাঝে বজ্রপাত বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানিয়ে বলেন— বজ্রপাতের সময় খোলা মাঠ, জলাশয়, গাছের নিচে কিংবা বিদ্যুতের খুঁটির আশপাশে অবস্থান করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। দুর্যোগকালীন সময়ে সবাইকে পাকা দালান বা নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার পরামর্শ দেন তারা।
পাকুন্দিয়া প্রতিনিধি: মো : রেজুয়ানুল হক |
