গাজীপুরের শ্রীপুরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টিকটকে পিস্তল প্রদর্শনের ভিডিও ছড়িয়ে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টির অভিযোগে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযানে তাঁর কাছ থেকে উদ্ধার করা ভিডিওতে ব্যবহৃত ‘পিস্তল’টি পরীক্ষা করে পুলিশ নিশ্চিত হয়েছে, সেটি কোনো আগ্নেয়াস্ত্র নয়; বরং পিস্তলসদৃশ একটি লাইটার। একই বস্তু দেখিয়ে স্ত্রীকে ভয়ভীতি প্রদর্শন, মারধর এবং যৌতুক দাবির অভিযোগও উঠেছে ওই যুবকের বিরুদ্ধে।
গ্রেপ্তার মো. ইমন (২৩) শ্রীপুর উপজেলার মুলাইদ গ্রামের দায়পাড়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি রিপন মিয়া ও শামীমা দম্পতির ছেলে। সোমবার রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তাঁর গ্রেপ্তারের তথ্য জানায় পুলিশ।
পুলিশ জানায়, সম্প্রতি ইমন একটি পিস্তলসদৃশ বস্তু হাতে নিয়ে ভিডিও ধারণ করে নিজের টিকটক আইডিতে প্রকাশ করেন। বিষয়টি গাজীপুর জেলা পুলিশের নজরে এলে সহকারী পুলিশ সুপার (কালিয়াকৈর সার্কেল) মো. শফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে শ্রীপুর থানা পুলিশের একটি দল তাঁর বাড়িতে অভিযান চালায়। এ সময় ভিডিওতে প্রদর্শিত বস্তুটি উদ্ধার করা হয়। পরে পরীক্ষা-নিরীক্ষায় সেটি পিস্তলসদৃশ একটি লাইটার বলে নিশ্চিত হয় পুলিশ।
তদন্তে আরও জানা যায়, ওই লাইটার দেখিয়ে ইমন এলাকায় ভীতি সৃষ্টি করতেন।
পাশাপাশি স্ত্রীকে নিয়মিত ভয়ভীতি প্রদর্শন করে যৌতুক দাবি এবং শারীরিক নির্যাতন চালানোর অভিযোগ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় তাঁর স্ত্রী মোছা. তাহমিনা (২২) বাদী হয়ে শ্রীপুর থানায় যৌতুকের দাবিতে নির্যাতনের অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেন।
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহীনুর আলম বলেন, “অভিযুক্ত টিকটকে অস্ত্রসদৃশ লাইটার প্রদর্শন করে ভিডিও প্রচার করতেন, যা জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আদালতের মাধ্যমে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।”
শ্রীপুর(গাজীপুর)প্রতিনিধি:
