গত ২৮ অক্টোবর শুক্রবার নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের একটি ঝটিকা মিছিল হন,এর জের দরে ২৯ অক্টোবর উপজেলা বিএনপি সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক,এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এর নির্দেশনায় গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আকবরকে বাদী করে তাড়াইল থানায় একটি সন্তাস বিরোধী--২০০৯ আইন এর ধারা ৬,৭,৮,৯,১০,১১,১২, হয়রানি মূলক মামলা করেন।
এতে আসামী করা হয় ৪নং আসামী মো ওমর খান সানি,সাংবাদিক ও জুলাই যোদ্ধা,১০নং আসামি করেন সাবেক দুইবারের সফল চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান মবিন, সদস্য বিএনপি,২৮নং আসামী করেন তাড়াইল উপজেলা এনসিপির সাংগঠনিক সম্পাদক রুবেল,৩৩ নং আসামী করেন ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক আকরাম, ৩৪ নং আসামী করেন ব্যবসাহী ও বিএনপি সদস্য আলম সহ অনেক নেতাকর্মীকে।
তাড়াইল উপজেলা বিএনপির দায়ের করা কথিত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে জেলা এনসিপি। সোমবার দুপুরে কিশোরগঞ্জ এনসিপি কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন-এনসিপি কিশোরগঞ্জ জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক,ইকরাম হোসেন
সাংগঠনিক সম্পাদক ফয়সাল প্রিন্স
জেলা যুব শক্তির আহ্বায়ক মাহফুজুর রহমান।
তাড়াইল উপজেলা এনসিপির আহ্বায়ক সার্জেন্ট মহিউদ্দিন মাসুদ।
ছাত্র শক্তির আহ্বায়ক
আনাস ইব্রাহিম।
উক্ত সংবাদ সম্মেলনে জেলা এনসিপির নেতারা অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে তাড়াইল উপজেলা বিএনপির নেতারা বিএনপির নিজ দলের কর্মী, এনসিপির নেতাকর্মী এবং নিরীহ সাধারণ জনগণের নামে গায়েবি ও মিথ্যা মামলা দিয়েছেন।
জেলা এনসিপির সাংগঠনিক সম্পাদক ইকরাম হোসেন বলেন,
"আমরা দেখেছি তাড়াইল উপজেলায় বিএনপির নাম ভাঙিয়ে একটা মহল হয়রানি-নির্যাতন করছে। যে মামলাগুলো দেওয়া হয়েছে তাতে ঘটনার সাথে জড়িত না থাকা বিএনপির ত্যাগী কর্মী,এনসিপির নেতাকর্মী এমনকি সাধারণ ব্যবসায়ী ও ছাত্ররাও আসামি হয়েছেন। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
তিনি আরও বলেন, "অবিলম্বে হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে। অন্যথায় এনসিপি ও সাধারণ জনগণকে নিয়ে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।"
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত এনসিপি নেতারা প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান। একইসাথে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বন্ধ করে এলাকায় শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান জানান।
সংবাদ সম্মেলনে জেলা ও তাড়াইল উপজেলা এনসিপির বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী এবং মামলার শিকার কয়েকজন ভুক্তভোগীও উপস্থিত ছিলেন।
মোঃমাহ্ফুজুল হক খান (জিকু)
কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি প্রতিনিধি।