অক্ষয় শুধু একজন সফল অভিনেতা নন, প্রযোজক ও টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব হিসেবেও সমান পরিচিত।
প্রথম দিকে মারপিটধর্মী (অ্যাকশন) ছবির মাধ্যমে দর্শকের হৃদয়ে জায়গা করে নেন। পরবর্তীতে নাটকীয়, প্রণয়ধর্মী ও হাস্যরসাত্মক চলচ্চিত্রেও সমান জনপ্রিয়তা পান।
তাঁর উল্লেখযোগ্য সিনেমাগুলো হলো— খিলাড়ি সিরিজ, মেরা নাম জোকার, মোহরা, হেরা ফেরি, গরম মসালা, রাওয়াড়ি রাঠোর, এয়ারলিফট, রুস্তম, টয়লেট: এক প্রেম কথা, প্যাডম্যান, কেসারি, সুরি্যবংশী প্রভৃতি।
একজন "কমপ্লিট এন্টারটেইনার" হিসেবে অক্ষয় কুমারের অবস্থান বলিউডে অনন্য।
তাঁর অবদান ও সাফল্যের স্বীকৃতি:
* ২০০৮ সালে কানাডার উইন্ডসর বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে সম্মানসূচক ডক্টরেট প্রদান করে।
* ২০০৯ সালে ভারত সরকার তাঁকে পদ্মশ্রী সম্মাননায় ভূষিত করে।
* ২০১১ সালে এশিয়ান অ্যাওয়ার্ডস থেকে বিশেষ সম্মাননা লাভ করেন।
ব্যক্তিজীবনে তিনি অভিনেত্রী টুইঙ্কল খান্নার স্বামী এবং কিংবদন্তি অভিনেতা রাজেশ খান্না ও অভিনেত্রী ডিম্পল কপাড়িয়ার জামাতা।
অক্ষয়ের জন্ম পাঞ্জাবের অমৃতসরে। বাবা ছিলেন সেনাবাহিনীর সদস্য এবং মা ছিলেন আরুনা ভাটিয়া। শৈশব কেটেছে দিল্লির চাঁদনি চক ও পরে মুম্বাইয়ের কলিওয়ারায়।
শিক্ষাজীবনে তিনি পড়াশোনা করেন মুম্বাইয়ের ডন বসকো স্কুল ও পরে গুরু নানক খালসা কলেজে।
তায়কোয়ান্দোতে ব্ল্যাক বেল্ট অর্জনের পর ব্যাংককে গিয়ে শিখেছেন মার্শাল আর্ট ও মুই থাই। সেখানেই কাজ করেছেন প্রধান ওয়েটার হিসেবে।
অনেকের অজানা তথ্য হলো— অক্ষয় কুমার একসময় ঢাকার হোটেল পূর্বাণীতে শেফ (রাঁধুনী) হিসেবে কাজ করেছেন। এছাড়া কলকাতার একটি ট্রাভেল এজেন্সিতেও চাকরি করেছেন তিনি।
আজ জন্মদিনে বলিউডের এই ‘খিলাড়ি’ নায়কের জন্য রইল অসংখ্য শুভকামনা ও