রবিবার, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

মঠবাড়িয়ায প্রধান শিক্ষকের অবহেলায় স্কুলের ৭০ শতাংশ জমি দখলে নিয়েছে প্রভাবশালীরা

মঠবাড়িয়ায প্রধান শিক্ষকের অবহেলায় স্কুলের ৭০ শতাংশ জমি দখলে নিয়েছে প্রভাবশালীরা

মঠবাড়িয়ায প্রধান শিক্ষকের অবহেলায় স্কুলের ৭০ শতাংশ জমি দখলে নিয়েছে প্রভাবশালীরা

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার ৬৯ নং দধিভাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আতাউর রহমান আতিকের অবহেলায় বিদ্যালয়ের ৭০ শতাংশ জমি দখলে নিয়েছে স্থানীয় প্রভাবশালীরা।বিদ্যালয়ের  নিজস্ব জমি প্রাচীরের বাইরে রেখে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের আজীবন অবৈধ দখলে রাখার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।  

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিদ্যালয়টির নামে ১০০ শতাংশ জমি রয়েছে। এরমধ্যে ৩০ শতাংশ দখলে থাকলেও বিএস জরিপে পর্চা কাটানো হয়েছে মাত্র ২১ শতাংশের।স্কুলের বাকি ৭০ শতাংশ জমিতে কেউ আম বাগান করেছে।আবার কেউ ধান চাষ করে আসছে।ঘুরে ফুরে বছরের পর বছর এরাই ম্যানেজিং কমিটিতে থাকায় জমির কোন সুরাহা হয়না।আর তাদের ভয়ে মুখ খুলতে সাহস পায় না প্রধান শিক্ষক। তামাদি আইন ১৯০৮ অনুযায়ী,বিদ্যালয়ের জমি দীর্ঘ ১২ বছর বা তার বেশি সময় ধরে অন্য কেউ বিনা বাধায় ভোগ দখল করলে আইনি জটিলতা তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন অনেকেই। বিষয়টি লিখিতভাবে উপজেলা শিক্ষা অফিসার,উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে লিখিতভাবে অবগত করার নিয়ম থাকলেও ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আতাউর রহমান তাদেরকে আদৌ অবগত করেননি।

স্থানীয় গোলাম রহমান টিটু জানান,স্কুলের জমি এক জায়গয় নেই।বিভিন্ন দাগে রয়েছে। বিএস জরিপে ২১ শতাংশ জমি স্কুলের নামে রেকর্ডভুক্ত হয়েছে। বাকি জমি বেদখল রয়েছে।

প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) আতাউর রহমান জানান,বিদ্যালয়ের নামে ১০০ শতাংশ জমি রয়েছে। ৩০ শতাংশ জমি বাউন্ডারি দেয়ালের মধ্যে আছে।আর ৭০ শতাংশ জমি দেয়ালের বাইরে বেদখল অবস্থায় আছে। বিষয়টি মৌখিকভাবে ওই সময়ের উপজেলা শিক্ষা অফিসার রুহুল আমিনকে জানানো হয়েছে।

উপজেলা শিক্ষা অফিসার ( UEO) কামরুল হাসান জানান,জায়গা ছেড়ে দিয়ে ওয়াল নির্মাণ করা সরকারি অর্থের অপব্যবহার হিসেবে গণ্য হতে পারে। সংশ্লিষ্ট প্রধান শিক্ষক ও সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসারের সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আতাউর রাব্বি জানান,বিষয়টি উপজেলা শিক্ষা অফিসারের মাধ্যমে খতিয়ে দেখে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হবে এবং বিদ্যালয়ের প্রকৃত জমি নির্ধারণ করা হবে।