হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টে ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর একজন সদস্য বা ট্রাস্টি নিয়োগের দাবিতে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে ত্রিপুরা ঐক্য পরিষদ ও ত্রিপুরা যুব ঐক্য পরিষদের নেতৃবৃন্দ।
রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে এ স্মারকলিপি দেওয়া হয়।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, বাংলাদেশে বসবাসরত তিন লক্ষাধিক ত্রিপুরা জনগোষ্ঠী অনাদিকাল থেকে সনাতন বা হিন্দুধর্মাবলম্বী। দেশের তিন পার্বত্য জেলা ছাড়াও চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, চাঁদপুর, সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, ফরিদপুরসহ বিভিন্ন জেলায় ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে। এর মধ্যে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় এক লক্ষাধিক ত্রিপুরা বসবাস করেন বলে স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়।
এতে আরও বলা হয়, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টে ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর কোনো প্রতিনিধি না থাকায় ধর্মীয় ও সামাজিক উন্নয়ন কার্যক্রমে তারা কাঙ্ক্ষিত প্রতিনিধিত্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত চাকমা ও মারমা জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলেও স্মারকলিপিতে দাবি করা হয়। পাশাপাশি হিন্দু বাঙালি জনগোষ্ঠীর একাধিক প্রতিনিধি ট্রাস্টি বোর্ডে রয়েছেন বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
স্মারকলিপিতে ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও অবকাঠামোর উন্নয়ন, ধর্মীয় মূল্যবোধের বিকাশ এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণের স্বার্থে হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টে একজন ত্রিপুরা সদস্য বা ট্রাস্টি নিয়োগের দাবি জানানো হয়।
এ সময় ত্রিপুরা ঐক্য পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সচিব জগদানন্দ ত্রিপুরা, ত্রিপুরা যুব ঐক্য পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহসভাপতি মিলন ত্রিপুরা, ত্রিপুরা ঐক্য পরিষদ জেলা কমিটির আহ্বায়ক কুলনাথ বৈষ্ণব, সদস্য সচিব মুকুল ত্রিপুরাসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
অজয় সেন ত্রিপুরা,
খাগড়াছড়ি