রবিবার, নভেম্বর ১, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

আজ ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতের অনন্য নায়ক, প্রযোজক, পরিচালক ও চলচ্চিত্র সম্পাদক ফিরোজ খান-এর মৃত্যুবার্ষিকী

আজ ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতের অনন্য নায়ক, প্রযোজক, পরিচালক ও চলচ্চিত্র সম্পাদক ফিরোজ খান-এর মৃত্যুবার্ষিকী

আজ ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতের অনন্য নায়ক, প্রযোজক, পরিচালক ও চলচ্চিত্র সম্পাদক ফিরোজ খান-এর মৃত্যুবার্ষিকী

ফিরোজ খান ১৯৩৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর বেঙ্গালুরুতে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা ছিলেন একাত্ম পাঠান আফগান অভিবাসী এবং মা ইরানি। ছোটবেলা থেকেই তিনি ছিলেন বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী।

 

তিনি বলিউডে স্টাইল আইকন হিসেবে পরিচিত। তাঁর কাউবয়ি swagger, সিগার হাতে থাকা ব্যক্তিত্ব এবং ঝকঝকে স্টাইলি অভিনয় অন্যথায় প্রচলিত চলচ্চিত্র নায়কদের স্টাইলকে নতুন সংজ্ঞা দিয়েছিল।

 

ফিরোজ খান ১৯৬০, ১৯৭০ ও ১৯৮০-এর দশকে ৫০টিরও বেশি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। 
তাঁর বড় হিট চলচ্চিত্রের মধ্যে উল্লেখযোগ্য:
ঊঁচে লোক (১৯৬৫) – রাজ কুমার ও অশোক কুমারের বিপরীতে অভিনয়,
আদমি আওর ইনসান (১৯৬৯) – ফিল্মফেয়ার সেরা সহকারী অভিনেতার পুরস্কার,
ধরমত্মা (১৯৭৫) – আফগানিস্তানে শ্যুট করা প্রথম ভারতীয় চলচ্চিত্র, প্রযোজক, পরিচালক ও নায়ক হিসেবে তাঁর প্রথম ব্লকবাস্টা্‌
কুরবানি (১৯৮০) – পরিচালনা ও অভিনয়, পাকিস্তানি পপ শিল্পী নাজিয়া হাসানের জনপ্রিয় গানের মাধ্যমে বিশেষভাবে স্মরণীয়,
জনবাজ (১৯৮৬), ডায়াভান (১৯৮৮) – পরিচালনা ও অভিনয্‌

 

তিনি তাঁর বাস্তব জীবনের ভাই সঞ্জয় খান-এর সঙ্গে অভিনয় করেন উপাসনা (১৯৬৭), মেলা (১৯৭১), নাগিন (১৯৭৬)-এ।
ফিরোজ খান ১৯৯২ সালের ইয়ালগার চলচ্চিত্রের পর ১১ বছর অভিনয় থেকে বিরতি নেন। ১৯৯৮ সালে তিনি তাঁর ছেলে ফারদীন খানের চলচ্চিত্র প্রেম আগান মুক্তি দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করেন। ২০০৩ সালে ফের ফিরে আসেন জনশিন চলচ্চিত্রের মাধ্যমে, যেখানে তিনি প্রযোজক, পরিচালক ও অভিনয়শিল্পী হিসেবে কাজ করেন এবং তাঁর ছেলে ফারদীনও অভিনয় করেন।
তাঁর শেষ চলচ্চিত্র ছিল ওয়েলকাম (২০০৭), যা সমসাময়িক সময়ের অন্যতম সেরা কমেডি ও ব্লকবাস্টার।


ফিরোজ খান ২০০৯ সালের ২৭ এপ্রিল ক্যান্সারের সাথে যুদ্ধের পর মৃত্যুবরণ করেন। অসুস্থতার সময় তিনি বেঙ্গালুরুতে তাঁর খামারবাড়িতে বিশ্রাম নেন। তিনি তাঁর মায়ের কবরের পাশে বেঙ্গালুরুতে সমাহিত হন।


ফিরোজ খান ছিলেন এক অনন্য প্রতিভা, যিনি বলিউডে চিরস্মরণীয় ছাপ রেখে গেছেন।
আজকের দিনে আমরা স্মরণ করি সেই কিংবদন্তিকে, যিনি শুধু চলচ্চিত্রে নয়, স্টাইল ও ব্যক্তিত্বের দিক থেকেও যুগান্তকারী প্রভাব রেখেছিলেন।

বিনোদন প্রতিবেদক
মোহিত লাল সাহা