জন্ম দক্ষিণ কলকাতার বেহালায়। দুই ভাইবোনের মধ্যে সবার ছোট তিনি। বড় ভাইয়ের নাম সুজয়।
পড়াশোনা করেছেন বেহালার বিদ্যা ভারতী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে এবং পরে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগমায়া দেবী কলেজ থেকে অর্থনীতিতে (অনার্স) স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন।
নাচের জগতে সৌমিলির হাতেখড়ি মাত্র তিন বছর বয়সে।
তিনি ভরতনাট্যমে প্রশিক্ষণ নেন থাঙ্কামণি কুট্টির কাছে এবং ব্যালে শেখেন মমতা শঙ্করর কাছ থেকে। নিয়মিত অংশ নেন নৃত্যনাট্যে ও ধ্রুপদী নৃত্যানুষ্ঠানে।
ভরতনাট্যমে তিনি পেয়েছেন সঙ্গীত রত্ন এবং সঙ্গীত বিভাকর উপাধি।
তাঁর প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘আলো’ মুক্তি পায় ২০০৩ সালে, যেখানে তিনি অভিনয় করেছিলেন সহায়ক ভূমিকায়।
২০০৭ সালে ইটিভি বাংলার ‘দুর্গে দুর্গতিনাশিনী’ ধারাবাহিকে দুর্গার ভূমিকায় অভিনয় করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান।
এরপর একে একে কাজ করেছেন আলো, গ্যারাকল, সংগ্রাম, অগ্নিশপথ, শুধু তোমাকে চাই সহ একাধিক চলচ্চিত্রে।
টেলিভিশনে কাজ করেছেন জনপ্রিয় অনুষ্ঠান রান্নাঘর ও দিদি নম্বর ১-এর সঞ্চালিকা হিসেবে।
ডান্স রিয়্যালিটি শো ‘ডান্স বাংলা ডান্স’-এ মেন্টর হিসেবেও যুক্ত ছিলেন।
অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি এক দীর্ঘ সময় ধরে দর্শকের মনোরঞ্জন করেছেন ছোটপর্দায়। সর্বশেষ তাঁকে দেখা গিয়েছিল ‘জয় বাবা লোকনাথ’ সিরিয়ালে। দীর্ঘ বিরতির পর আবারো তিনি ফিরছেন ছোটপর্দায়।
ব্যক্তিজীবনে ২০১২ সালে পেশায় ব্যাংককর্মী অয়ন ঘোষকে বিয়ে করেন সৌমিলি। সুখী সংসার ও ক্যারিয়ারের পথচলা সমানতালে এগিয়ে চলেছে।
রাজনীতির অঙ্গনেও তিনি সক্রিয় হয়েছেন—২০২১ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি ভারতীয় জনতা পার্টিতে যোগ দেন।
অভিনয়, সঞ্চালনা, নৃত্য ও সমাজসেবার মাধ্যমে সৌমিলি বিশ্বাস টলিউড ও টেলিভিশন দুনিয়ায় নিজের বিশেষ আসন তৈরি করেছেন।
জন্মদিনে রইলো অফুরন্ত শুভকামনা—
আরো সমৃদ্ধ হোক তাঁর আগামী দিনের পথচলা।
বিনোদন প্রতিবেদক
মোহিত লাল সাহা