বর্তমানে মাথাপিছু বার্ষিক ডিমের প্রাপ্যতা ১৪০টি। ২০৩০ সালের মধ্যে সেটি ২০৮টিতে উন্নীত করার লক্ষ্য রয়েছে। অর্থাৎ আগামী চার বছরে মাথাপিছু প্রাপ্যতা ৬৮টি বাড়াতে হবে। এই লক্ষ্য অর্জনে দেশের মোট ডিম উৎপাদন আরো বাড়ানোর পাশাপাশি উৎপাদন খরচ নিয়ন্ত্রণ এবং খামারিদের ন্যায্য দাম নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ
দেশে বছরে প্রায় দুই হাজার ৫০৯ কোটি ৪১ লাখ ডিম উৎপাদন হলেও মানুষের পুষ্টি চাহিদার তুলনায় ডিমের এই প্রাপ্যতা এখনো কম। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের (ডিএলএস) তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে যে পরিমাণ ডিম উৎপাদন হয় তাতে বছরে একজন মানুষ ১৪০টি ডিম খেতে পারে।
অথচ পুষ্টি চাহিদা পূরণে ডিমের উৎপাদন ও ব্যবহার আরো বাড়ানো প্রয়োজন।
সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে মাথাপিছু বার্ষিক ডিমের প্রাপ্যতা ২০৮টিতে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। ফলে বর্তমান উৎপাদন থেকে ভবিষ্যৎ চাহিদা পূরণে উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি বাজারব্যবস্থা এবং খামারিদের টেকসই উৎপাদন নিশ্চিত করা জরুরি হয়ে পড়েছে।
-1791526036.jpg)