বুধবার, অক্টোবর ২৮, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

সমন্বিত পরিকল্পনার মাধ্যমে জলাবদ্ধতার সমাধান নিশ্চিত করতে হবে: অর্থমন্ত্রী

সমন্বিত পরিকল্পনার মাধ্যমে জলাবদ্ধতার সমাধান নিশ্চিত করতে হবে: অর্থমন্ত্রী

সমন্বিত পরিকল্পনার মাধ্যমে জলাবদ্ধতার সমাধান নিশ্চিত করতে হবে: অর্থমন্ত্রী

জলাবদ্ধতা নিরসনে বিভিন্ন সময়ে একাধিক মেগা প্রকল্প নেওয়া হলেও সামগ্রিক পরিকল্পনা ও সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের অভাবে কাঙ্ক্ষিত সুফল পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

তিনি বলেন, একটি প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার আগেই অন্য এলাকায় নতুন সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। তাই বিচ্ছিন্ন কোনো উদ্যোগ নয়, দীর্ঘমেয়াদি ও সমন্বিত পরিকল্পনার মাধ্যমেই চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা সমস্যার কার্যকর ও স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করতে হবে।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বিকালে নগরীর টাইগারপাসে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে চট্টগ্রাম মহানগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে করণীয় নির্ধারণে সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, নগরীর বড় খালগুলোর পানিপ্রবাহ ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি খালের দুইপাড়ে নাগরিকদের হাঁটাচলার উপযোগী পথ তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। যেখানে সুযোগ রয়েছে, সেখানে সাইকেল ট্র্যাক নির্মাণের বিষয়টিও চলমান ও ভবিষ্যৎ প্রকল্পে যুক্ত করা হবে। এর ফলে একদিকে যেমন জলাবদ্ধতা দূর হবে, অন্যদিকে নগরবাসীর প্রাত:ভ্রমণ, সাইকেল চালানো, শরীরচর্চা ও অবসর কাটানোর চমৎকার সুযোগ তৈরি হবে। খালকেন্দ্রিক উন্নয়ন প্রকল্পকে শুধু পানি নিষ্কাশনের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে নাগরিক জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং পরিবেশবান্ধব আধুনিক নগরী গড়ে তোলার অংশ হিসেবে দেখতে হবে।

নগরীর পরিবেশ ও সৌন্দর্য বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করে মন্ত্রী বলেন, যেখানেই ফাঁকা জায়গা পাওয়া যাবে, সেখানেই পরিকল্পিতভাবে গাছ লাগাতে হবে। ব্যাপক বৃক্ষরোপণ নগরীর সৌন্দর্য বাড়ানোর পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও বায়ুদূষণ কমাতে বড় ভূমিকা রাখবে। জলাবদ্ধতা নিরসন, সবুজায়ন, ওয়াকওয়ে ও সাইকেল ট্র্যাক—সবকিছু একটি সমন্বিত পরিকল্পনায় এনে চট্টগ্রামকে সত্যিকার অর্থেই একটি বাসযোগ্য নগরীতে রূপ দিতে হবে।

সেবাদানকারী সংস্থাগুলোর জবাবদিহির ওপর জোর দিয়ে তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (চউক), পানি উন্নয়ন বোর্ড, চট্টগ্রাম ওয়াসা ও বন্দর কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে নিয়মিত সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করতে হবে। এ লক্ষ্যে প্রতি মাসে কাজের অগ্রগতি মূল্যায়ন ও পর্যালোচনার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। নিয়মিত সমন্বয় থাকলে প্রকল্পের ব্যয় ও অর্থের অপচয় কমবে, কাজের গতি বাড়বে এবং নগরবাসীর দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর হবে।

চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দেন- চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান, চউক চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন, সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামসুল আলম শামস, চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী সেলিম মোহাম্মদ জানে আলম, সিএমপি কমিশনার হাসান মোহাম্মদ শওকত আলী ও চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা প্রমুখ।