বুধবার, অক্টোবর ২৮, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

সরকার চাইছে ঐক্য তারা ছড়াচ্ছে বিভ্রান্তি: প্রধানমন্ত্রী

সরকার চাইছে ঐক্য তারা ছড়াচ্ছে বিভ্রান্তি: প্রধানমন্ত্রী

সরকার চাইছে ঐক্য তারা ছড়াচ্ছে বিভ্রান্তি: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘আমরা যখন ঐক্য তৈরি করছি, বর্তমান সরকার যখন ঐক্য চাইছে তখন একটি মহল নানাভাবে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে।’ গতকাল দুপুরে রংপুর মহানগরের ধর্মসভা রাধাগোবিন্দ মন্দিরে শারদীয় দুর্গা উৎসবের মহানবমীতে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে কুশলবিনিময় এবং বিকালে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠের জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। পরে সন্ধ্যায় তিনি চট্টগ্রামের রহমতগঞ্জে জেএম সেন হল পূজামণ্ডপ পরিদর্শনসহ সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিভ্রান্তি সৃষ্টিকারীদের উদ্দেশে বলেন, ‘মহান মুক্তিযুদ্ধকে কেউ একজন বিতর্কিত করতে চেয়েছিল। কিন্তু সেই ফলাফল শুভ হয়নি। দেশের মানুষ সেই ফলাফলকে ভালোভাবে নেয়নি। একইভাবে চব্বিশের গণ অভ্যুত্থানকেও কোনো কোনো মহল বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে। যারা একাত্তরে মানুষকে ধোঁকা দিয়েছিল, তারা চব্বিশের জুলাই আন্দোলনেও ধোঁকা দিয়েছে।’ রংপুরের মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রী জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের উদ্দেশে বলেন, ‘গণতন্ত্রকামী সব মানুষকে সঙ্গে নিয়ে বলতে চাই-দয়া করে চব্বিশের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানকে বিতর্কিত করবেন না। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের সব ধর্মের মানুষ হাজার বছর শান্তিতে একত্রে বসবাস করে আসছে। আগামী হাজার বছর একসঙ্গে আমরা শান্তিতে বসবাস করতে চাই।’ প্রধানমন্ত্রী দুর্গাপূজা উপলক্ষে গতকাল মহানবমীতে রাজধানী ঢাকার বাইরে রংপুর, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম-তিন বিভাগে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন। এটি দেশের ইতিহাসে ঢাকার বাইরে কোনো সরকারপ্রধানের প্রথম পূজামণ্ডপ পরিদর্শন। চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে বিরতি নিয়ে রাত ৮টার দিকে তিনি ঢাকার উদ্দেশে বিমানযাত্রা করেন। এর আগে রবিবার রাতে তিনি ঢাকার মহাখালী ও বনানী পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন।

রংপুর থেকে নিজস্ব প্রতিবেদক : গতকাল দুপুরে রংপুর মহানগরের ধর্মসভা রাধাগোবিন্দ মন্দিরে শারদীয় দুর্গোৎসবের মহানবমীতে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে কুশলবিনিময়কালে প্রধানমন্ত্রী মন্দিরের উন্নয়ন প্রসঙ্গে বলেন, ‘মন্দিরের পেছনে একটি অবকাঠামো রয়েছে। যেখানে অবস্থাপন্ন নয়, গ্রাম থেকে শহরে আসা এমন মানুষ বিনামূল্যে অবস্থান করেন। সেই অবকাঠামোটির কাজ এখনো সম্পন্ন হয়নি, আরও কিছু অর্থের সংস্থান দরকার। আমি সংস্থাপন প্রতিমন্ত্রী ও জেলা পরিষদের প্রশাসককে বলেছি, আগামী দুই বছরের মধ্যে এ কাজটি যেন সম্পন্ন করা হয়।’ প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে রাধাগোবিন্দ মন্দিরে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, ধর্মবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী শামীম কায়সার লিংকন, রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান সামসুজ্জামান সামু, রংপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট মাহফুজ-উন-নবী চৌধুরী, রংপুর-৩ আসনের এমপি মাহবুবুর রহমান বেলাল, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম প্রমুখ। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সামনে নৃত্য ও নাটক পরিবেশন করেন শিল্পীরা।

গতকাল সামরিক বিমানযোগে সকাল ১০টায় সৈয়দপুর বিমানবন্দরে অবতরণ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তাঁর আগমন ঘিরে রংপুর নগরজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘১২ তারিখের (ফেব্রুয়ারি) নির্বাচনের পর দেশের মানুষ বিএনপিকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে। সরকার পরিচালনার দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই দেশের খেটে খাওয়া মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। সমাজের প্রতিটি শ্রেণির মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের প্রয়োজনের বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।’

রাজশাহী থেকে প্রতিনিধি কাজী শাহেদ জানান, রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠের জনসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘স্বৈরাচার পালিয়ে যাওয়ার আগে শত শত মানুষকে হত্যা করে গিয়েছিল। সেসব শহীদের স্মরণে আমরা গতকাল (সোমবার) ঢাকায় একটি স্মৃতিস্তম্ভ তৈরি করেছি। বিএনপি একাত্তরকে ধারণ করে, বিএনপি চব্বিশকে ধারণ করে। চব্বিশকে ধারণ করে বলেই জুলাই যোদ্ধাদের পাশে বিএনপি দাঁড়িয়েছে। শহীদ পরিবারের সদস্যদের আমরা চেষ্টা করছি বিভিন্নভাবে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে। আহত জুলাই যোদ্ধাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করছি। স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধনের অনুষ্ঠানে আমরা সব রাজনৈতিক দলকে দাওয়াত দিয়েছিলাম। যারা মুখে বলে চব্বিশকে তারা ধারণ করে, কিন্তু জুলাইয়ের শহীদদের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য সেসব দলের কোনো প্রতিনিধি সে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিল না। অর্থাৎ একাত্তর সালে তারা জনগণকে যেভাবে ধোঁকা দিয়েছে, ঠিক একইভাবে আমরা দেখেছি চব্বিশের জুলাই আন্দোলনেও তারা ধোঁকা দিয়েছে। তারা মুখে একটি বলছে, তাদের কর্মে আমরা আরেকটি কাজের প্রতিফলন দেখতে পাচ্ছি।’

সীমান্তের ওপার থেকে অর্থ সরবরাহ করে দেশের ভিতরে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা চলছে অভিযোগ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের কাছে গোয়েন্দাদের খবর আছে। দেশের কয়েকটি জায়গায় কয়েকটি কলকারখানায় শ্রমিক অসন্তোষ সৃষ্টির চেষ্টা করা হয়েছে। এ ব্যাপারে আমি পরিষ্কার করে হাজারো মানুষের সামনে একটি কথা বলতে চাই। পরিষ্কার গোয়েন্দা তথ্য আছে-যে স্বৈরাচার পালিয়ে গেছে তারা সেখানে অর্থ সরবরাহ করছে। অর্থ সরবরাহ করে কাদের সাহায্য করছে? এই যে কিছু লোক আছে যারা ভ্রান্তি ছড়ায় দেশে, যারা বিভিন্ন টিকিট বিক্রির চেষ্টা করেছিল নির্বাচনের আগে মিথ্যা কথা বলে, এ দুই পক্ষ এক হয়েছে। একজন পয়সা দিচ্ছে সীমান্তের ওপার থেকে, আরেকজন এখানে বসে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে। এদের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।’

তারেক রহমান বলেন, ‘নির্বাচনের আগে তারা যেন কী টিকিট বিক্রি করেছিল। সেই টিকিট জনগণ খায় না। আজ আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে ফ্যামিলি কার্ড, খাল খনন, কৃষক ভাইদের কৃষি কার্ড চালু করব কি না।’ তিনি বলেন, ‘উত্তর যদি হ্যাঁ হয়ে থাকে, তাহলে ১২ তারিখে যেভাবে বিএনপির পাশে ছিলেন, আগামী পাঁচ বছরও বিএনপিকে সমর্থন দিয়ে যেতে হবে। সেসব ভ্রান্ত রাজনৈতিক দল যারা একাত্তর সাল থেকে শুরু করে গতকাল পর্যন্ত যখনই সুযোগ পেয়েছে তখনই জনগণকে ভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছে, দেশকে ভিন্নপথে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছে তাদের ব্যাপারে সতর্ক হতে হবে।’

কৃষকের সেচসুবিধা নিশ্চিত করতে সারা দেশে খাল খনন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করা হবে। এরই মধ্যে আট মাসে ৮০০ কিলোমিটার খনন করা হয়েছে। এতে কৃষক সেচসুবিধা পাবেন এবং ভূগর্ভস্থ পানির পুনর্ভরণ হবে।’

প্রণোদনা পেলেন ৩৯ হাজার আখচাষি : এর আগে অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ৩৮ হাজার ৯৭০ জন আখচাষিকে ১২ কোটি টাকা প্রণোদনা দেন। জনসভা মঞ্চে বসে তিনি ল্যাপটপের বাটন চেপে কৃষককে এ প্রণোদনা দেন। কৃষকের ব্যাংক হিসাবে এ টাকা পৌঁছে যায়। পরে তিনি দেশের ১৫টি সুগার মিল জোনের ১৫ জন কৃষকের হাতে প্রণোদনার প্রতীকী চেক তুলে দেন।


রাজশাহীর জনসভায় সভাপতিত্ব করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটনের পরিচালনায় বক্তব্য দেন দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এমপি, ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু, বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, এমপি আবু সাঈদ চাঁদ, অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মণ্ডল, শফিকুল হক মিলন, ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নিপুণ রায় চৌধুরী, দলের চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) শরীফ উদ্দীন প্রমুখ। জনসভা থেকে প্রধানমন্ত্রী গণকপাড়ার ধর্মসভায় যান। সেখানে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তুলে দেন ১০ লাখ টাকার আর্থিক অনুদানের চেক।

চট্টগ্রামে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী : চট্টগ্রামে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছাবিনিময় এবং দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গতকাল সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে রাজশাহী থেকে সামরিক উড়োজাহাজে করে তিনি চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। বিমানবন্দর থেকে সড়কপথে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে নগরের রহমতগঞ্জে জেএম সেন হলের পূজামণ্ডপের উদ্দেশে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় সড়কের দুই পাশে দাঁড়িয়ে থাকা বিএনপির নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষকে গাড়ি থেকে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান তিনি।  প্রধানমন্ত্রী জেএম সেন হলের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছাবিনিময় করেন। এরপর চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির নেতাদের সঙ্গে একটি সাংগঠনিক সভায় অংশ নেন। সব কর্মসূচি শেষে রাতে চট্টগ্রাম বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী। চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তাঁর সফরসঙ্গীদের অভ্যর্থনা জানান বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, চট্টগ্রাম বিভাগের সহসাংগঠনিক সম্পাদক ও ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, স্থানীয় সংসদ সদস্যসহ চট্টগ্রাম জেলা ও মহানগর নেতারা।

চট্টগ্রাম সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এমপি, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজনকান্তি সরকার, বিএনপির বিশেষ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন মৃধা, হিন্দুধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সহসভাপতি ও সংসদ সদস্য নিপুণ রায় চৌধুরী, বিএনপির সহকারী সাংগঠনিক সম্পাদক জয়ন্ত কুমার কুণ্ডু, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন প্রমুখ।