রবিবার, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

পিলখানা হত্যাকাণ্ড সার্বভৌমত্ব নস্যাৎ করার অপপ্রয়াস তারেক রহমান

পিলখানা হত্যাকাণ্ড সার্বভৌমত্ব নস্যাৎ করার অপপ্রয়াস তারেক রহমান

পিলখানা হত্যাকাণ্ড সার্বভৌমত্ব নস্যাৎ করার অপপ্রয়াস তারেক রহমান

পিলখানা হত্যাকাণ্ডকে সার্বভৌমত্ব নস্যাৎ করার অপপ্রয়াস হিসেবে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, এ ঘটনার মাধ্যমে জাতীয় নিরাপত্তার দুর্বলতা স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।

ধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সেনানিবাসের মাল্টি পারপাস হলে অনুষ্ঠিত শহীদ দিবসের আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী সভায় বলেন, “আমি কেবল জনপ্রতিনিধি হিসেবে নয়, সেনা পরিবারের সদস্য হিসেবে আজ আপনাদের সঙ্গে উপস্থিত। দেশে ফেরার পর শহীদদের কবরের পাশে দাঁড়িয়ে দেখেছি, গত ১৭ বছর শহীদ পরিবারের সদস্যরা বিচারের জন্য দ্বারে দ্বারে ঘুরেছেন।

 

তিনি আরও বলেন, “পিলখানা হত্যাকাণ্ডকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় স্মরণ করা সবার দায়িত্ব। সেনাবাহিনী আমাদের সার্বভৌমত্বের প্রতীক। এই ঘটনায় জাতীয় নিরাপত্তার দুর্বলতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। তাই বহির্বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমাদের জাতীয় নিরাপত্তা কাঠামোকে আরও আধুনিক ও শক্তিশালী করতে হবে।”

প্রধানমন্ত্রী ইতিহাস তুলে ধরে উল্লেখ করেন, ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার সময় চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা করেছিলেন। সেই সময় সেনাবাহিনী ও ইপিআরের সদস্যরা দায়িত্ব পালন করে গৌরবময় ইতিহাসের সাক্ষী হয়েছেন। পরবর্তীকালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে পুনর্গঠন ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন শুরু করেছিলেন।

সভায় প্রধানমন্ত্রী শহীদ পরিবারের সদস্যদের কল্যাণের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, “শহীদ পরিবারের সন্তানদের শিক্ষা, চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের জন্য দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে।