যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডার মাটিতে আগামী জুন-জুলাইয়ে ফিফা ২০২৬ বিশ্বকাপের আসর বসবে। আগে থেকেই মার্কিনীদের সঙ্গে ইরানের বিরোধ থাকলেও, তাদের সব ম্যাচের ফিক্সচারই রাখা হয়েছে দেশটিতে। ফলে এবারের বিশ্বকাপে ইরানের খেলা নিয়ে অনিশ্চয়তা ছিল–ই, যা আরও ঝুঁকির মুখে পড়েছে দেশটিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলা শুরুর পর। পাল্টা জবাব দিচ্ছে ইরানও।
এরই মাঝে তাদের এশিয়ান অঞ্চলের বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব থেকে টুর্নামেন্টের মূলপর্ব নিশ্চিত করেছিল ইরান। তাদের ম্যাচগুলো পড়েছে যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলস ও সিয়াটলে। তবে অনিশ্চয়তা আগে থেকেই ছিল। এমনকি ইরানি নাগরিকদের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞাসহ নানা কড়াকড়ি আরোপ ছিল যুক্তরাষ্ট্রে।চলমান সংঘাতের মাঝে মঙ্গলবার (৩ মার্চ) ইরানের বিশ্বকাপ খেলা নিয়ে ট্রাম্পের কাছে জানতে চাওয়া হয়। জবাবে তাদের খেলা না খেলার বিষয়টি পরোয়া করেন না বলে জানান তিনি।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘পলিটিকো’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প জানিয়েছেন, ‘আমি মোটেও পরোয়া করি না। আমার মতে ইরান খুব বাজেভাবে পরাজিত দেশ। তারা ধোঁয়ায় উড়ছে।’
বিশ্বকাপের অন্যতম আয়োজক দেশের প্রধানের এই মন্তব্য অবশ্য ফিফার বক্তব্যের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। কারণ তারা বিশ্বকাপের প্রতিযোগী প্রতিটি দেশ, খেলোয়াড়-স্টাফ, সমর্থকসহ সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত ও স্বাগত জানানোর ঘোষণা দিয়েছিল।
পরবর্তীতে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ‘দ্য অ্যাথলেটিক’ হোয়াইট হাউজের একজন মুখপাত্রের কাছে ট্রাম্পের দেওয়া বক্তব্যের ব্যাখ্যা জানতে চায়। যার জবাবে যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বকাপ টাস্কফোর্সের পরিচালক অ্যান্ড্রু জিউলিয়ানি মার্কিন সামরিক বাহিনীর কার্যক্রমকে সমর্থন দিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘পুরো বিশ্বের মানুষদের রক্ষা, বিশেষ করে আমেরিকান এবং যুক্তরাষ্ট্রে ২০২৬ বিশ্বকাপ উপলক্ষ্যে আসার পরিকল্পনা করা মিলিয়ন মানুষের নিরাপত্তার জন্য যেকোনো অস্থিতিশীল হুমকি দূর করতে হবে।’
-69a7bd149443f-1772601874.jpg)