আবু জাফর, সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি: পবিত্র ঈদুল ফিতর–২০২৬ উপলক্ষে কর্তব্যরত অবস্থায় জীবন উৎসর্গকারী দেশপ্রেমিক পুলিশ সদস্যদের পরিবারবর্গের মাঝে ঈদ শুভেচ্ছা ও উপহার সামগ্রী প্রদান করা হয়েছে। বাংলাদেশ পুলিশের পক্ষ থেকে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়, যাতে দেশের নিরাপত্তা রক্ষায় আত্মত্যাগকারী সদস্যদের পরিবার ঈদের আনন্দে সামিল হতে পারে এবং তাদের প্রতি রাষ্ট্রের সম্মান ও কৃতজ্ঞতা আরও সুদৃঢ়ভাবে প্রকাশ পায়।
“কর্তব্যের তরে করে গেল যারা, আত্মবলিদান প্রতিক্ষণে স্মরি, রাখিব ধরি তোমাদের সম্মান”—এই অঙ্গীকারকে হৃদয়ে ধারণ করে বাংলাদেশ পুলিশের সম্মানিত ইন্সপেক্টর জেনারেল (আইজিপি) মোঃ আলী হোসেন ফকিরের পক্ষ থেকে শহীদ পুলিশ সদস্যদের পরিবারবর্গের উদ্দেশ্যে পাঠানো হয় ঈদ শুভেচ্ছা বার্তা ও উপহার সামগ্রী।বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ ২০২৬) সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের অফিস কক্ষে আয়োজিত এক সাদামাটা কিন্তু হৃদয়স্পর্শী অনুষ্ঠানে আইজিপি মহোদয়ের প্রেরিত ঈদ শুভেচ্ছা বার্তাসহ উপহার সামগ্রী আনুষ্ঠানিকভাবে কর্তব্যরত অবস্থায় জীবন উৎসর্গকারী পুলিশ সদস্যদের পরিবারবর্গের নিকট হস্তান্তর করেন সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের অভিভাবক ও পুলিশ সুপার মোঃ আরেফিন জুয়েল, বিপিএম।
এ সময় পুলিশ সুপার শহীদ পুলিশ সদস্যদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আন্তরিকভাবে কথা বলেন এবং তাদের সার্বিক খোঁজখবর নেন। তিনি বলেন, দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গিয়ে যারা নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন, তাদের এই ত্যাগ জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। শহীদ পুলিশ সদস্যদের পরিবার কখনো একা নয়—সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সবসময় তাদের পাশে থাকবে।
তিনি আরও বলেন, শহীদ সদস্যদের পরিবারকে সম্মান জানানো এবং তাদের পাশে দাঁড়ানো বাংলাদেশ পুলিশের নৈতিক দায়িত্ব। ঈদের আনন্দ যেন তাদের কাছেও পৌঁছে যায়, সেই লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতি (পুনাক), সাতক্ষীরা জেলার সভানেত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস তুলি। এছাড়াও জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত থেকে শহীদ পুলিশ সদস্যদের পরিবারবর্গের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং তাদের প্রতি সম্মান ও সহমর্মিতা প্রকাশ করেন।
এ সময় শহীদ পুলিশ সদস্যদের পরিবারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ পুলিশ ও জেলা পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়। তারা বলেন, এমন মানবিক উদ্যোগ তাদের কষ্টের সময় সাহস জোগায় এবং মনে করিয়ে দেয় যে দেশের জন্য যাঁরা জীবন দিয়েছেন, তাঁদের আত্মত্যাগ রাষ্ট্র ও জনগণ কখনো ভোলে না।
ঈদকে সামনে রেখে এই ধরনের মানবিক উদ্যোগ সমাজে সহমর্মিতা ও কৃতজ্ঞতার বার্তা ছড়িয়ে দেয় বলেও উপস্থিতরা মনে
