শনিবার, অক্টোবর ৩১, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বুশরা বিবির সঙ্গে অমানবিক আচরণের অভিযোগ ইমরান খানের

বুশরা বিবির সঙ্গে অমানবিক আচরণের অভিযোগ ইমরান খানের

বুশরা বিবির সঙ্গে অমানবিক আচরণের অভিযোগ ইমরান খানের

মানসিকভাবে চাপে ফেলতে স্ত্রী বুশরা বিবির সঙ্গে অমানবিক আচরণ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক ইমরান খান। বুশরা যথাযথ চিকিৎসা পাচ্ছেন না বলে দাবি পাকিস্তানের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়কের। কারাগারে বন্দী থাকা ইমরান সম্প্রতি তার ছেলে কাসিমের মাধ্যমে এসব অভিযোগ করেন। ঈদের সময় পারিবারিক আলাপচারিতার পর ইমরানের এসব বক্তব্য প্রকাশ্যে আসে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য ইনডিপেনডেন্টের উদ্ধৃতি অনুযায়ী, ইমরান খান বলেন, ‘এই দেশের (পাকিস্তানের) বিচারকদের লজ্জিত হওয়া উচিত। আমরা বারবার বিচার বিভাগের কাছে গেছি, কিন্তু তারা নিজেদের স্বার্থে বিক্রি হয়ে গেছে। তারা জানে আমাকে ভাঙতে পারবে না, তাই আমার স্ত্রীকে লক্ষ্য করছে। শুধু আমাকে ব্ল্যাকমেল করার জন্য বুশরা বিবির সঙ্গে এমন অমানবিক আচরণ কীভাবে সম্ভব?’

ইমরান আরও বলেন, ‘তাকে (বুশরা বিবি) সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করে রাখা হয়েছে। সপ্তাহে মাত্র ৩০ মিনিট দেখা করার অনুমতি দেওয়া হয়। সেটাও আবার অনেক সময় দেওয়া হয় না।’

ইমরান খানের মতো তার স্ত্রী বুশরার শারীরিক অবস্থাও ভালো না। হাসপাতালে আছেন তিনি। 

২০২৩ সালের আগস্ট থেকে বিভিন্ন মামলায় কারাবন্দী আছেন ইমরান। ২০২৬ সালের মার্চে ইসলামাবাদ হাইকোর্টের নির্দেশে গঠিত একটি পাঁচ সদস্যের মেডিকেল বোর্ড আদিয়ালা জেলে তার চোখ পরীক্ষা করে। 

পরীক্ষায় তার ‘সেন্ট্রাল রেটিনাল ভেইন অক্লুশন (সিআরভিও)’ ধরা পড়ে, যা গুরুতর চোখের রোগ এবং স্থায়ী দৃষ্টিশক্তি হারানোর ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।