বলা হয়, সিনেমা রেডিই হয় এডিটিংয়ে। আর এখানেই রাফীর মুনশিয়ানা।
প্রেশার কুকার এডিট করেছেন সিমিত রায় অন্তর। সিমিত-রাফী জুটি এর আগে পরাণ-দামাল-সুড়ঙ্গর মতো সিনেমা করেছেন একসাথে। ওটিটি তো অগণিত। সিনেমায় খানিক বিরতির পর আবার দুজনের একসাথে কাজ।
প্রেশার কুকার আর আট-দশটা সিনেমার মতো না। হাইপারলিংক গল্পের এডিট যদি টানটান না হয়, তাহলে সিনেমা ঝুলে যায়। এই ধরণের সিনেমার সবচেয়ে বড় হাইলাইট হলো এর পেসিং। কোথাও অতিরিক্ত দ্রুত নয়, আবার কোথাও অপ্রয়োজনীয় স্লোও নয়। হতে হয় কম্প্যাক্ট। এডিটিংয়ে সিমিত রায় অন্তর দারুণ কাজ করেছেন। তাকে যোগ্য সঙ্গ দিয়েছেন রায়হান রাফীও।
রাফী বোঝেন, কখন দর্শককে নিঃশ্বাস নেওয়ার সুযোগ দিতে হয়, আর কখন সেই নিঃশ্বাসটাকেই আটকে দিতে হয়।
এই ব্যালান্সটাই প্রেশার কুকারকে একটা আলাদা ইমেজ দিয়েছে।
