সোমবার, নভেম্বর ২, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

স্কুল-কলেজ ধ্বংস, গাজায় সাগরতীরে বসে পরীক্ষা দিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা

স্কুল-কলেজ ধ্বংস, গাজায় সাগরতীরে বসে পরীক্ষা দিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা

স্কুল-কলেজ ধ্বংস, গাজায় সাগরতীরে বসে পরীক্ষা দিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা

প্রায় আড়াই বছর ধরে গাজায় ইসরাইলি আগ্রাসন চলছে। হামলার মুখে সব ধরনের স্কুল কলেজের স্থাপনাও ধ্বংস হয়ে গেছে। তবে এমন পরিস্থিতিতেও গাজার শিক্ষাব্যবস্থা ধসে পড়েনি। তার নজির মিলল এবার, সাগরতীরে বসে পরীক্ষা দিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা।

সামাজিক মাধ্যমে সম্প্রতি একটি ভিডিও দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, গাজার শিক্ষার্থীরা সমুদ্র সৈকতে বসে পরীক্ষা দিচ্ছে। ইসরাইল গাজার শত শত স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয় ধ্বংস করে দেওয়ার পর এই দৃশ্য সবার মনে গভীর ছাপ ফেলেছে।

ভিডিওটির সঙ্গে অনেকে লিখেছেন, ‘গাজার শিক্ষার্থীরা স্কুল-বিশ্ববিদ্যালয় ধ্বংস হওয়ার পরও সৈকতে বসে পরীক্ষা দিচ্ছে। কে পারবে এই মানুষগুলোর ইচ্ছাশক্তি ভাঙতে?’

আরেকজন লিখেছেন, ‘হানাদাররা স্কুল ভেঙেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ে বোমা মেরেছে, সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ধ্বংস করেছে। কিন্তু ফিলিস্তিনি শিক্ষার্থীর মনোবল ভাঙতে পারেনি এবং পারবেও না।’

এই ভিডিওটির ছবি, জায়গা এবং মানুষ — সবই সত্যি। কিন্তু এটি পুরনো। ভিডিওটি আসলে ২০২৬ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি গণিত পরীক্ষার সময়ের, জানিয়েছে । 

তবে গাজার শিক্ষাব্যবস্থার ওপর ধ্বংসযজ্ঞের বাস্তবতা মোটেও মিথ্যা নয়। রিপোর্ট বলছে, ৭ অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত ২০৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে। এর মধ্যে ১৯০টি স্কুল এবং ১৪টি বিশ্ববিদ্যালয়। আংশিক ক্ষতি হয়েছে আরও ৩০৫টি প্রতিষ্ঠানের। ইসরাইল ১২,৮০০-রও বেশি শিক্ষার্থী এবং ৭৬০ জনেরও বেশি শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীকে হত্যা করেছে। এই যুদ্ধ ৭ লাখ ৮৫ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থীকে পড়াশোনা থেকে বঞ্চিত করেছে।