রবিবার, নভেম্বর ১, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

পাইলট উদ্ধারের আড়ালে ইউরেনিয়াম চুরির চেষ্টা করেছে যুক্তরাষ্ট্র

পাইলট উদ্ধারের আড়ালে ইউরেনিয়াম চুরির চেষ্টা করেছে যুক্তরাষ্ট্র

পাইলট উদ্ধারের আড়ালে ইউরেনিয়াম চুরির চেষ্টা করেছে যুক্তরাষ্ট্র

ইরানে বিধ্বস্ত হওয়া মার্কিন বিমানের পাইলটকে উদ্ধারের নামে চালানো অভিযানটি আসলে ছিল দেশটির সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম চুরির একটি গোপন পরিকল্পনা। সোমবার (৬ এপ্রিল) এক সংবাদ সম্মেলনে এমন চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুলেছে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। 

তেহরানের দাবি, রোববার (৫ এপ্রিল) মার্কিন বাহিনী যে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করেছে, তার মূল উদ্দেশ্য ছিল ইরানের পরমাণু স্থাপনা থেকে গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হাতিয়ে নেওয়া।

এর আগে গত শনিবার (৫ এপ্রিল) ইরানের ইসফাহান প্রদেশে একটি মার্কিন বিমান ও হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হওয়ার খবর পাওয়া যায়। ঘটনাস্থল থেকে প্রাপ্ত ধ্বংসাবশেষের ছবি ও ভিডিও ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই ঘটনাকে একটি সাধারণ উদ্ধার অভিযান হিসেবে বর্ণনা করলেও ইরান একে ‘ছদ্মবেশী অপারেশন’ হিসেবে অভিহিত করেছে। তাদের মতে, উদ্ধার অভিযানের আড়ালে বিশেষ কমান্ডো বাহিনী পাঠিয়ে ইরানের কৌশলগত পরমাণু ভাণ্ডারে আঘাত হানার ছক কষেছিল ওয়াশিংটন।

এএফপি-র প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এই অভিযানকে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন এবং সরাসরি সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত বলে উল্লেখ করেছেন। তারা মনে করছেন, পরমাণু ইস্যুতে ইরানকে চাপে ফেলতেই যুক্তরাষ্ট্র এ ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ ও উস্কানিমূলক পদক্ষেপ নিয়েছে।

তবে এই অভিযোগের বিষয়ে এখন পর্যন্ত মার্কিন প্রশাসন বা পেন্টাগনের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। বর্তমান উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে এই নতুন অভিযোগ দুই দেশের মধ্যকার সংঘাতকে আরও জটিল ও বিপজ্জনক করে তুলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।