মাগুরা সদরের গোপাল গ্রাম এলাকায় পুলিশ সদস্য পরিচয়ে মো. ছাকাম মোল্লা (৫৬) নামে এক ব্যক্তিকে অপহরণ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শুক্রবার দিবাগত রাত আনুমানিক ২ টার সময় ৪/৫ জন অজ্ঞাত ব্যক্তি পুলিশ পরিচয়ে তার নিজ বাড়ি থেকে তাকে অপহরণ করে। পরে সাদা একটি প্রাইভেট কারে তাকে বাটাজোর গ্রামের পুলিশ বক্সের পশ্চিম পাশে ২০০ ফিট দূরত্বে নিয়ে দেশীয় ধারালো অস্ত্র রামদা- চাপাতি, লোহার রড হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে রাস্তার পাশে ফেলে চলে যায়।
পরে শত্রুজিৎপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত ব্যক্তিকে উদ্ধার করে মাগুরা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করে।
আহত মো. ছাকাম মোল্লা (৫৬) মাগুরা সদরের গোপালগ্রাম এলাকার মৃত হাজী আ: ওয়াজেদ মোল্লার ছেলে এবং গোপালগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক।
এ ঘটনায় আহত ছাকাম মোল্লার ভাই হাশেম ওরফে আজম আলী বাদী হয়ে মাগুরা সদর থানায় একটি এজাহার দাখিল করেন।
এজাহারে গোপালগ্রাম এলাকার বাসিন্দা মোঃ ইব্রাহিম মোল্লার ছেলে মোঃ ইমদাদুল মোল্লাসহ অজ্ঞাত আরো চার-পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে।
এজাহার ভিত্তিতে জানাযায়, উভয় পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন যাবত জমা-জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল।
তারই ধারাবাহিকতায় এই অপহরণ ও হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে ভুক্তভোগী পরিবার।
এ ঘটনায় শত্রাজিতপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক মোঃ. মোঃ আলমগীর হোসেন জানান, রাতে টহলরত অবস্থায় ২:৩০ মিনিটের দিকে একজন ট্রাক ড্রাইভার এর মাধ্যমে ফোন পেয়ে দ্রুত ঘটনা স্থলে গিয়ে আহত ছাকাম মোল্লাকে উদ্ধার করে মাগুরা ২৫০ সেজে হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়। এই ঘটনার সঙ্গে তার ভাইয়ের ছেলে ইমদাদুল মোল্লা জড়িত বলে প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি।
মো: সাজ্জাদ হোসেন মাগুরা জেলা প্রতিনিধি