যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার বন্দবিলা ইউনিয়নে যশোর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক শামীম আক্তারের ছবি সংবলিত শুভেচ্ছা বিলবোর্ড কেটে নষ্ট করার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা গেছে, বন্দবিলা ইউনিয়নের সন্তান ও যশোর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক শামীম আক্তার দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের পাশে থেকে কাজ করে আসছেন। সম্প্রতি যশোরের প্রয়াত মন্ত্রী তরিকুল ইসলামের সন্তান এবং বিএনপির খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী হওয়ায় তাকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে চিত্রা মডেল কলেজ এলাকা থেকে খাজুরা বাজার পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে বিলবোর্ড টানানো হয়।
প্যানাগুলোতে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, সাবেক মন্ত্রী তরিকুল ইসলাম, প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এবং শামীম আক্তারের ছবি স্থান পেয়েছিল।
অভিযোগ রয়েছে, গত দুইদিন আগে রাতের আঁধারে দুর্বৃত্তরা শামীম আক্তারের ছবি সংবলিত কয়েকটি বিলবোর্ড কেটে নষ্ট করে দেয়। এ ঘটনায় স্থানীয় নেতাকর্মীদের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে।
এ বিষয়ে বন্দবিলা ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আনোয়ার হোসেন ভুট্টো বলেন,
“রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে এ ধরনের ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে আমরা মনে করছি। বিএনপির নেতাকর্মীদের মাঝে বিভেদ সৃষ্টি করতেই একটি মহল অপচেষ্টা চালাচ্ছে। আমরা দ্রুত জড়িতদের শনাক্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।”
ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ আহম্মেদ বলেন,
“রাজনীতিতে মতপার্থক্য থাকতেই পারে, কিন্তু কারও ছবি সংবলিত প্যানা কেটে নষ্ট করা কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়। এটি ন্যাক্কারজনক ঘটনা।”
বন্দবিলা ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি গাজী জাহাঙ্গীর আলম বলেন,
“এ ধরনের কর্মকাণ্ড দলীয় শৃঙ্খলা ও রাজনৈতিক পরিবেশ নষ্ট করছে। আমরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাই।”
স্থানীয়রা জানান, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতে পারে, তবে এ ধরনের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই কাম্য নয়। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
শহিদুল ইসলাম, বাঘারপাড়া (যশোর) প্রতিনিধি:
