সোমবার, মে ১৮, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ইমরান খানের জীবিত থাকার প্রমাণ চাইলেন ছোট ছেলে কাসিম

ইমরান খানের জীবিত থাকার প্রমাণ চাইলেন ছোট ছেলে কাসিম

ইমরান খানের জীবিত থাকার প্রমাণ চাইলেন ছোট ছেলে কাসিম

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিরোধী দল তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) কারাবন্দি নেতা ইমরান খান ‘জীবিত আছেন’ মর্মে সরকারের কাছে প্রমাণ চেয়েছেন তার ছোট ছেলে কাসিম খান। বাবা ইমরান খানের ‘মৃত্যু’ গুঞ্জনের মধ্যে শুক্রবার (২৭ নভেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট করে এই দাবি জানান তিনি।

ইমরান খানের তিন বোন- নরীন খান, আলিমা খান ও উজমা খান অভিযোগ করেন, তিন সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে বারবার দেখা করতে গেলেও তাদেরকে তাদের ভাইয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে দেয়া হয়নি।

গত কয়েকদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইমরান খানের ‘মৃত্যু’ হয়েছে বলে গুজব ও গুঞ্জন চলছে। আফগানিস্তানের একটি গণমাধ্যম দাবি করেছে, তাকে কারাগারের ভেতর হত্যা করা হয়েছে। এমন খবর ছড়িয়ে পড়ার পর উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পুরো পাকিস্তান।

মন প্রেক্ষাপটে ইমরান খানের ছেলে কাসিম খান বাবার জীবিত থাকার প্রমাণের পাশাপাশি অবিলম্বে মুক্তির আহ্বান জানিয়েছেন। শুক্রবার এক এক্স পোস্টে তিনি জানান, তার বাবা ৮৪৫ দিন ধরে কারাগারে। গত দেড় মাস ধরে ফাঁসির আসামিদের নির্জন কক্ষে আটকে রাখা হয়েছে। পরিবারকে দেখা করতে বা ফোনে কথা বলতে দেয়া হচ্ছে না।

কাসিম অভিযোগ করেন, তাদেরকে ইমরান খানের অবস্থার ব্যাপারে সম্পূর্ণ অন্ধকারে রাখা হয়েছে, যা কোনোভাবেই নিয়ম হতে পারে না। তিনি জানান, আদালতের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও বোনদেরও তার সাক্ষাত থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক মহল ও মানবাধিকার সংগঠনগুলোকেও হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমার বাবার নিরাপত্তা এবং নির্জন কারাবাসের প্রতিটি পরিণতির দায় পাকিস্তান সরকারকেই নিতে হবে।’

গত মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) রাতে দলের নেতাকর্মীসহ তারা সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের দাবি কারাগারের সামনে জড়ো হন। কিন্তু তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। পিটিআই বলেছে, খানের তিন বোন ও সমর্থকরা কারাগারে বাইরে অবস্থান কর্মসূচি পালনের সময় পুলিশের হামলার শিকার হন।