ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সিনিয়র স্টাফ নার্স মোছা. মুফিদা আক্তারকে সাময়িকভাবে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। রোগীর স্বজনের কাছ থেকে ইনজেকশন দেওয়ার জন্য টাকা দাবি এবং রোগীকে হয়রানির অভিযোগের প্রেক্ষিতে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. আসাদুজ্জামান ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে জানা যায়, গত ৫ জুন ২০২৬ রাত আনুমানিক ৮টার দিকে এক রোগীকে ইনজেকশন দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট নার্স রোগীর স্বজনের কাছে ২০০ টাকা দাবি করেন বলে অভিযোগ ওঠে।
রোগীর স্বজন টাকা না থাকার কথা জানালে পরে টাকা নিয়ে আসতে বলার পাশাপাশি অশোভন আচরণের অভিযোগও করা হয়।
অভিযোগটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রচারিত হওয়ার পর বিষয়টি স্বাস্থ্য বিভাগের নজরে আসে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী এবং হাসপাতালের ভাবমূর্তি রক্ষার স্বার্থে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত মোছা. মুফিদা আক্তারকে দায়িত্ব থেকে সাময়িক অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে।
অফিস আদেশে আরও উল্লেখ করা হয়, পরবর্তী তদন্তে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে সুপারিশ করা হবে।
এদিকে পৃথক এক কৈফিয়ত তলব নোটিশে তিন কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নোটিশে অভিযোগ করা হয়, সরকারি নীতিমালা উপেক্ষা করে রোগীর কাছ থেকে অর্থ দাবি এবং কর্মস্থলে শৃঙ্খলাবিরোধী আচরণের মাধ্যমে কর্মপরিবেশ ব্যাহত করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে এবং তদন্তের ফলাফলের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
শাহ মুহাম্মদ ফুরকানুল ইসলাম |
