ফেসবুকে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের অভিযোগ, আইনগত ব্যবস্থার দাবি।
মাগুরার শালিখা উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা নাছিমা খাতুনকে জড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে মনগড়া মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর তথ্য প্রচারের অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি একটি ফেসবুক আইডি থেকে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ সম্বলিত একটি লেখা প্রচার করা হলে বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, প্রচারিত লেখাটিতে যেসব অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে, মনগড়া গল্প বাস্তবতার সাথে কোন মিল নেই।ফলে লেখাটিকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচারের অংশ বলে মনে করছেন অনেকে।
স্থানীয় সচেতন মহলের অভিযোগ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে যাচাই-বাছাই ছাড়া গুরুতর অভিযোগ প্রচার করা শুধু অনৈতিকই নয়, বরং তা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা। তারা বলেন, অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিতভাবে উপস্থাপন করা উচিত। কিন্তু প্রমাণ ছাড়াই ফেসবুকে প্রচার চালানো বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে।
এ ঘটনায় নাছিমা খাতুনের শুভাকাঙ্ক্ষীরা জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে একজন সরকারি কর্মকর্তার ব্যক্তিগত ও পেশাগত মর্যাদা ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করা হয়েছে।
তারা আরও বলেন, রাষ্ট্রের প্রচলিত আইনে মিথ্যা, বানোয়াট ও মানহানিকর তথ্য প্রচারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের সুযোগ রয়েছে। তাই বিষয়টি তদন্ত করে অপপ্রচারের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত।
স্থানীয়দের দাবি, সত্য উদঘাটনের স্বার্থে অভিযোগ থাকলে তা যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে প্রমাণ করা হোক। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে ব্যবহার করে কারও সম্মানহানি করার প্রবণতা বন্ধে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন।
জিহাদ হাসান
নিজস্ব প্রতিবেদক
