আআমাকে মাফ করে দিয়েন, এফডিসিতে এসে কান্নায় ভেঙে পড়লেন অভিনেতা জামিলুর
বাংলা চলচ্চিত্রের পরিচিত মুখ, শত শত সিনেমার প্রিয় পার্শ্বচরিত্র, বর্ষীয়ান অভিনেতা জামিলুর রহমান শাখা আজ ভালো নেই।
একসময় এফডিসির ব্যস্ততম শিল্পীদের একজন ছিলেন তিনি। প্রায় ৬০০-এরও বেশি চলচ্চিত্র এবং দুই শতাধিক টিভি নাটকে অভিনয় করে তিনি দর্শকদের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন। কখনো স্নেহময় বাবা, কখনো কঠোর মাতব্বর, কখনো চাচা কিংবা অভিভাবকের চরিত্রে তিনি ছিলেন অসাধারণ।
কিন্তু জীবনের এই শেষ প্রান্তে এসে সেই মানুষটিকেই আজ বলতে হচ্ছে— "কাজ নেই, অর্থ নেই।"
সম্প্রতি এফডিসিতে দাঁড়িয়ে চোখের জল ফেলতে দেখা গেছে এই গুণী শিল্পীকে। কান্নাজড়িত কন্ঠে তিনি বলেন "যদি কোন ভুলভ্রান্তি করে থাকি আমাকে মাফ করে দিয়েন, আমার আর সময় নাই, আমাকে চলে যেতে হবে খুব শিঘ্রই 🥲 এটাই হয়তো আপনাদের সাথে শেষ দেখা, আর হয়তো দেখা নাও হতে পারে।
যে প্রতিষ্ঠানকে তিনি যৌবন, শ্রম আর মেধা দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন, আজ সেই শিল্পেরই একজন প্রবীণ সৈনিক অর্থকষ্টে দিন কাটাচ্ছেন—এ দৃশ্য সত্যিই হৃদয়বিদারক।
১৯৬২ সালে মঞ্চনাটক "এই তো জীবন" দিয়ে অভিনয় শুরু করেন শাখা ভাই। ১৯৬৬ সাল থেকে টেলিভিশন নাটকে অভিনয়। ১৯৭০ সালে সফদার আলী ভুঁইয়ার পরিচালনায় "রাজমুকুট" চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক।
দীর্ঘ ছয় দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি অভিনয় করেছেন কেয়ামত থেকে কেয়ামত, অন্তরে অন্তরে, সুজন সখি, হাছন রাজা, হাজার বছর ধরে, চন্দ্রগ্রহণ, জীবনঢুলীসহ অসংখ্য জনপ্রিয় চলচ্চিত্রে।
আজ প্রশ্ন জাগে—একজন শিল্পী যখন তার যৌবন, স্বপ্ন আর প্রতিভা একটি শিল্পের পেছনে উৎসর্গ করেন, তখন বার্ধক্যে এসে তার পাশে দাঁড়ানোর দায়িত্ব কি আমাদের নয়?
চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট সংগঠন, প্রযোজক, পরিচালক, শিল্পী সমিতি এবং সংস্কৃতিপ্রেমী সকলের প্রতি অনুরোধ—আসুন, আমরা আমাদের এই গুণী শিল্পীর পাশে দাঁড়াই।
কারণ, শাখা ভাইদের ঘাম, শ্রম আর ত্যাগের ওপর দাঁড়িয়েই আজকের বাংলা চলচ্চিত্র শিল্প।
ভালো থাকুন, শাখা ভাই। আপনার অবদান বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।মাকে মাফ করে দিয়েন, এফডিসিতে এসে কান্নায় ভেঙে পড়লেন অভিনেতা জামিলুর
বাংলা চলচ্চিত্রের পরিচিত মুখ, শত শত সিনেমার প্রিয় পার্শ্বচরিত্র, বর্ষীয়ান অভিনেতা জামিলুর রহমান শাখা আজ ভালো নেই।
একসময় এফডিসির ব্যস্ততম শিল্পীদের একজন ছিলেন তিনি। প্রায় ৬০০-এরও বেশি চলচ্চিত্র এবং দুই শতাধিক টিভি নাটকে অভিনয় করে তিনি দর্শকদের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন। কখনো স্নেহময় বাবা, কখনো কঠোর মাতব্বর, কখনো চাচা কিংবা অভিভাবকের চরিত্রে তিনি ছিলেন অসাধারণ।
কিন্তু জীবনের এই শেষ প্রান্তে এসে সেই মানুষটিকেই আজ বলতে হচ্ছে— "কাজ নেই, অর্থ নেই।"
সম্প্রতি এফডিসিতে দাঁড়িয়ে চোখের জল ফেলতে দেখা গেছে এই গুণী শিল্পীকে। কান্নাজড়িত কন্ঠে তিনি বলেন "যদি কোন ভুলভ্রান্তি করে থাকি আমাকে মাফ করে দিয়েন, আমার আর সময় নাই, আমাকে চলে যেতে হবে খুব শিঘ্রই 🥲 এটাই হয়তো আপনাদের সাথে শেষ দেখা, আর হয়তো দেখা নাও হতে পারে।
যে প্রতিষ্ঠানকে তিনি যৌবন, শ্রম আর মেধা দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন, আজ সেই শিল্পেরই একজন প্রবীণ সৈনিক অর্থকষ্টে দিন কাটাচ্ছেন—এ দৃশ্য সত্যিই হৃদয়বিদারক।
১৯৬২ সালে মঞ্চনাটক "এই তো জীবন" দিয়ে অভিনয় শুরু করেন শাখা ভাই। ১৯৬৬ সাল থেকে টেলিভিশন নাটকে অভিনয়। ১৯৭০ সালে সফদার আলী ভুঁইয়ার পরিচালনায় "রাজমুকুট" চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক।
দীর্ঘ ছয় দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি অভিনয় করেছেন কেয়ামত থেকে কেয়ামত, অন্তরে অন্তরে, সুজন সখি, হাছন রাজা, হাজার বছর ধরে, চন্দ্রগ্রহণ, জীবনঢুলীসহ অসংখ্য জনপ্রিয় চলচ্চিত্রে।
আজ প্রশ্ন জাগে—একজন শিল্পী যখন তার যৌবন, স্বপ্ন আর প্রতিভা একটি শিল্পের পেছনে উৎসর্গ করেন, তখন বার্ধক্যে এসে তার পাশে দাঁড়ানোর দায়িত্ব কি আমাদের নয়?
চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট সংগঠন, প্রযোজক, পরিচালক, শিল্পী সমিতি এবং সংস্কৃতিপ্রেমী সকলের প্রতি অনুরোধ—আসুন, আমরা আমাদের এই গুণী শিল্পীর পাশে দাঁড়াই।
কারণ, শাখা ভাইদের ঘাম, শ্রম আর ত্যাগের ওপর দাঁড়িয়েই আজকের বাংলা চলচ্চিত্র শিল্প।
ভালো থাকুন, শাখা ভাই। আপনার অবদান বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।আমাকে মাফ করে দিয়েন, এফডিসিতে এসে কান্নায় ভেঙে পড়লেন অভিনেতা জামিলুর
বাংলা চলচ্চিত্রের পরিচিত মুখ, শত শত সিনেমার প্রিয় পার্শ্বচরিত্র, বর্ষীয়ান অভিনেতা জামিলুর রহমান শাখা আজ ভালো নেই।
একসময় এফডিসির ব্যস্ততম শিল্পীদের একজন ছিলেন তিনি। প্রায় ৬০০-এরও বেশি চলচ্চিত্র এবং দুই শতাধিক টিভি নাটকে অভিনয় করে তিনি দর্শকদের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন। কখনো স্নেহময় বাবা, কখনো কঠোর মাতব্বর, কখনো চাচা কিংবা অভিভাবকের চরিত্রে তিনি ছিলেন অসাধারণ।
কিন্তু জীবনের এই শেষ প্রান্তে এসে সেই মানুষটিকেই আজ বলতে হচ্ছে— "কাজ নেই, অর্থ নেই।"
সম্প্রতি এফডিসিতে দাঁড়িয়ে চোখের জল ফেলতে দেখা গেছে এই গুণী শিল্পীকে। কান্নাজড়িত কন্ঠে তিনি বলেন "যদি কোন ভুলভ্রান্তি করে থাকি আমাকে মাফ করে দিয়েন, আমার আর সময় নাই, আমাকে চলে যেতে হবে খুব শিঘ্রই 🥲 এটাই হয়তো আপনাদের সাথে শেষ দেখা, আর হয়তো দেখা নাও হতে পারে।
যে প্রতিষ্ঠানকে তিনি যৌবন, শ্রম আর মেধা দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন, আজ সেই শিল্পেরই একজন প্রবীণ সৈনিক অর্থকষ্টে দিন কাটাচ্ছেন—এ দৃশ্য সত্যিই হৃদয়বিদারক।
১৯৬২ সালে মঞ্চনাটক "এই তো জীবন" দিয়ে অভিনয় শুরু করেন শাখা ভাই। ১৯৬৬ সাল থেকে টেলিভিশন নাটকে অভিনয়। ১৯৭০ সালে সফদার আলী ভুঁইয়ার পরিচালনায় "রাজমুকুট" চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক।
দীর্ঘ ছয় দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি অভিনয় করেছেন কেয়ামত থেকে কেয়ামত, অন্তরে অন্তরে, সুজন সখি, হাছন রাজা, হাজার বছর ধরে, চন্দ্রগ্রহণ, জীবনঢুলীসহ অসংখ্য জনপ্রিয় চলচ্চিত্রে।
আজ প্রশ্ন জাগে—একজন শিল্পী যখন তার যৌবন, স্বপ্ন আর প্রতিভা একটি শিল্পের পেছনে উৎসর্গ করেন, তখন বার্ধক্যে এসে তার পাশে দাঁড়ানোর দায়িত্ব কি আমাদের নয়?
চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট সংগঠন, প্রযোজক, পরিচালক, শিল্পী সমিতি এবং সংস্কৃতিপ্রেমী সকলের প্রতি অনুরোধ—আসুন, আমরা আমাদের এই গুণী শিল্পীর পাশে দাঁড়াই।
কারণ, শাখা ভাইদের ঘাম, শ্রম আর ত্যাগের ওপর দাঁড়িয়েই আজকের বাংলা চলচ্চিত্র শিল্প।
ভালো থাকুন, শাখা ভাই। আপনার অবদান বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।