নব্বই দশকের শুরুতে লেখক সীমা কাপুরের সঙ্গে ঘর বাঁধেন বলিউডের দাপুটে খল অভিনেতা ওম পুরি। বিচ্ছেদ বরাবরই বেদনার। তবে ওম পুরি-সীমা কাপুরের বিবাহবিচ্ছেদ অধিক বেদনাবিধুর। কারণ সীমা কাপুর অন্তঃসত্ত্বা থাকাকালীন জানতে পারেন তার স্বামী পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়েছেন। স্বামীর পরকীয়া, বিবাহবিচ্ছেদ, সন্তানের মৃত্যু—এসব বিষয় নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন সীমা কাপুর।
দাম্পত্য জীবন নিয়ে হিন্দি রাশকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সীমা জানান, তিনি যখন গর্ভবতী, তখন জানতে পারেন—ওম পুরি অন্য এক নারীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছেন। সেই ঘটনার পর রাজস্থানে মায়ের বাড়ি চলে যান সীমা। এই সিদ্ধান্তের পর তাদের মাঝে দূরত্ব আরো বাড়তে থাকে।
অনাগত সন্তানকে হারানোর কথা উল্লেখ করেন সীমা কাপুর বলেন, “দুর্ভাগ্যবশত আমার সন্তানটি বাঁচেনি। সেই সময় সন্তানটি আমার কাছে খুবই মূল্যবান ছিল। কারণ আমি জানতাম পুরি সাহেব আমার জীবনে আর ফিরে আসবেন না; আমিও আর কখনো বিয়ে করব না। সেই সন্তান আমার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কিন্তু সে বাঁচেনি।”
সন্তান হারানোর শোক সামলাতে হারিয়ে যাওয়া সন্তানের উদ্দেশে চিঠি লিখতেন সীমা। বোনকে এ পরিস্থিতিতে দেখা অনু কাপুরের জন্য ভীষণ কঠিন ছিল। ফলে ওম পুরির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বোনকে বলেছিলেন অনু কাপুর। সীমা কাপুর বলেন, “সবাই চাইছিল আমি ওম পুরির বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিই। বিশেষ করে আমার ভাই অনু কাপুর। কিন্তু আমি কোনো আইনি লড়াইয়ে যেতে চাইনি।”