রবিবার, জুলাই ৫, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

চলতি বছর ইমিগ্রেশন সংকটে পরবে কানাডা

চলতি বছর ইমিগ্রেশন সংকটে পরবে কানাডা

চলতি বছর ইমিগ্রেশন সংকটে পরবে কানাডা

কানাডায় চলতি বছরে ইমিগ্রেশন সংকট দেখা দিয়েছে। দেশটির বর্তমান স্থায়ী বাসিন্দা বা পার্মানেন্ট রেসিডেন্টস গ্রহণের লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় বিদেশি কর্মী, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ও অন্যান্য অস্থায়ী বাসিন্দার সংখ্যা অনেক বেশি। এর ফলে কানাডায় প্রায় ২ দশমিক ৯ মিলিয়ন মানুষের ভবিষ্যৎ এখন অনিশ্চিত। এর মধ্যে কানাডায় বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশীরাও রয়েছেন।

চলতি বছরে দেশটি মাত্র তিন লাখ আশি হাজার স্থায়ী বাসিন্দা বা পার্মানেন্ট রেসিডেন্টসের আসন রেখেছে। ফলে চলতি বছরে ১০ লাখেরও বেশি মানুষের কানাডায় থাকার বৈধ পথ বন্ধ হয়ে যেতে পারে। 

সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে যারা (পিজিডব্লিউপি) পোস্ট গ্র্যাজুয়েশন ওয়ার্ক পারমিটে রয়েছে। তাঁরা এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা, যারা ইতিমধ্যে কানাডার স্বাস্থ্যসেবা, নির্মাণ ও খাদ্য শিল্পে বছরের পর বছর কাজ করে দেশটির অর্থনীতিতে অবদান রেখেছেন। 

দেশটির মোট টেম্পোরারি রেসিডেন্টের প্রায় ৫০ শতাংশ। এর মধ্যে সাউথ এশিয়ানরাও রয়েছেন। শুধু তাই নয়; বাংলাদেশ থেকে আসা শিক্ষার্থী ও কর্মীরাও এই সংকটের বাইরে নন। 

প্রসঙ্গত, ওয়ার্ক পারমিটধারীদের বিনা স্টাডিপারমিটে পড়াশোনার বিশেষ সুযোগ আগামী ২৭ জুন ২০২৬ সালে শেষ হতে চলেছে। ইতোমধ্যে অনেকেই ওয়ার্ক পারমিটের মেয়াদ শেষ হওয়া নিয়ে দুশ্চিন্তার মধ্যে রয়েছেন।

দেশটির প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকেই দেশের অর্থনীতি উন্নয়ন ও অর্থনীতির চাকাকে শক্তিশালী করতে একের পর এক পরিকল্পনা গ্রহণ করে চলেছেন। তবে আশার কথা, দেশটির অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির উপরও অনেকের ভাগ্য নির্ধারিত হবে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি সরকারের একটি পরিকল্পিত নীতি, যার উদ্দেশ্য টেম্পোরারি বাসিন্দাদের দেশ ছেড়ে যেতে বাধ্য করা।