ভোলার বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা মনপুরা থেকে মিয়ানমারে (বার্মা) পাচারের সময় সিমেন্ট ও সার বোঝাই ট্রলারসহ একজন আটক করে পুলিশ ও কোস্টগার্ডের সদস্যরা।
এই সময় ট্রলারের মালিক সহ অন্যান্যরা পাচরকারীরা পালিয়ে গেলেও এক সদস্যকে আটক করে যৌথ অভিযানে অংশ নেওয়া আইনশৃংখলাবাহিনীর সদস্যরা।
রোববার দুপুর ১১ টায় জব্দকৃত ট্রলারের মালিকদ্বয় ও আটককৃত পাচারকারী সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের পর আদালতে প্রেরণ করে পুলিশ।
এর আগে গত শুক্রবার (৩ জুলাই) রাতে পুলিশ ও কোস্টগার্ডের সদস্যরা উপজেলার উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের লতাখালী ঘাটে অভিযান চালিয়ে মিয়ানমারে পাচারের সময় সিমেন্ট ও সারবোঝাই ট্রলার সহ এক পাচারকারীকে আটক করে।
আটককৃত পাচারকারী হলেন, মোঃ জুয়েল (২২)। তিনি উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মোঃ জহিরের ছেলে। অপর পাচারকারী ট্রলারের মালিক ও পলাতক সদস্য হলেন, ইদ্রিস মাঝি ও রিয়াজ। ওই দুইজনের বাড়ি একই ইউনিয়নে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার রাতে উপজেলার উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের লতাখালী ঘাটে সমুদ্রগামী ট্রলারে করে সার ও সিমেন্ট মিয়ানমার পাচার করার প্রস্তুতি নেয় পাচারকারীরা। খবরপেয়ে পুলিশ ও কোস্টগার্ডের সদস্যরা অভিযান চালিয়ে ট্রলারবোঝাই সিমেন্ট ও সার সহ মোঃ জুয়েল নামে এক পাচারকারীকে আটক করে। পরে জব্দকৃত ট্রলার হাজিরহাট ঘাটে নিয়ে এসে ট্রলার থেকে ৪৫০ বস্তা সিমেন্ট, ৪ শত লিটার ডিজেল, ৪ বস্তা সার ও চাউল উদ্ধার করে। তবে রোববার সকাল থেকে ওই ট্রলার থেকে পণ্য খালাস চলছে বলে জানায় পুলিশ।
পরে রোববার আটককৃত এক পাচারকারী ও পলাতক পাচারকারীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের পর আদালতে প্রেরণ করে পুলিশ।
এই ব্যাপারে মনপুরা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাজাহারুল ইসলাম জানান, পুলিশ ও কোস্টগার্ডের যৌথ অভিযানে মায়ানমারে পাচারের সময় মাছ ধরার ট্রলার বোঝাই সিমেন্ট ও সারসহ এক পাচারকরীকে আটক করে। থানায় মামলা হয়েছে। পলাতক পাচারকারীদের ধরতে পুলিশি অভিযান চলছে।
